পাতা:অশনি সংকেত - বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৭৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


go ख्धान्-िअ९gकठ অনঙ্গ-বোঁ দীঘনিঃশবাস ফেলে ভাবলে সে উপোস করতে ভয় খায় না, উপোস কি করে নি এর মধ্যে ? কিন্তু এই যে উনি শকিনো মাখে। এত দীর থেকে এসেছেন ফিরে, ও’কে এখন সে কি খেতে দেবে এই মেটে আল সিদ্ধ ছাড়া ? বাধ্য হয়ে দিতে হােল তাই। শােধ মেটে আল সিদ্ধ। এক তাল মেটে আল সিদ্ধ। সবাইকে তাই খেতে হোল। দােগা পণ্ডিত সম্প্রতি বাড়ী চলে গিয়েচে । তবও আল, সেদ্ধ খানিকটা বাঁচবে। হাব খেতে বসে বললে-এ মাখে ভাল লাগে না মা অনঙ্গ বললে-এ ছেলের চাল দ্যাখ না ? মাখে ভাল না লাগলে করাচি কি ? মতি মাচিনী খেতে এল না, কারণ সে ভাগের ভাগ আল নিয়ে গিয়েচে, আলাদা করে আল, সেদ্ধ বা আল, পোড়া খেয়েচে । পরদিনও আল, সেদ্ধ চললো। এ কি তাচ্ছিল্যের দ্রব্য ? কত বিপদের সম্প্ৰমাখীন হয়ে তবে ওইটুকু আল, সংগ্রহ করে আনতে হয়েচে-ছেলের মাখে ভালো লাগে না তো সে কি � ? রাত্ৰিতে অনঙ্গ-বেী বললে-হাগা, চাল না পাও, কিছ কলাই আজি আনো। আল ফুরিয়েছে । --তাই বা কোথা থেকে আনি ? -পরামাণিকদের দোকানে নেই ? --সব সাবাড়। গন্দোম সাফ । -क ऐछे°ाश ? --কিছু নেই ঘরে ? আলােটা ? -সে আর কতটুকু ৷ কাল ফুরিয়েচে । তবও তো এবার পণ্ডিত ঠাকুর নেই।--মতি নেই-নিজেরাই খেয়েছি । --কাল থেকে কি হবে তাই ভাবচি -5ान काथा8 नई ? --আছে । পয়ষট্টি টাকা মণ, নেবে ? পারবে নিতে ’ অনঙ্গ-বোঁ হেসে বললে-আমার হাতের একগাছা রিলি আছে, তাই বেচে চাল নিয়ে a তিন দিন কেটে গেল । চান্থ তো দারের কথা কোন খাবারই মেলে না । কলাইয়ের মণ ফোেল টাকিম, তাও পাওয় দর্শকর। কপালী-বো না খেয়ে রোগা হয়ে গিয়েচে, তার চেহারার আগের জলস আর নেই সংখ্যাকেলা পা টিপে টিপে অনঙ্গ-বেয়ের কাছে এসে বললে-কি কৱচো বামন-দিদি ? -কসে আছি ভাই, রান্না-বাক্ষা তো নেই । -সে তো কারো নেই । --কি খেয়েছিস ? সত্যি বলবি ? কপালী-বেটী চুপ করে রইল ।