পাতা:অষ্টাঙ্গ হৃদয় - বাগ্‌ভট.pdf/১৬৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


পঞ্চবিংশ অধ্যায়। অতঃপর আমরা যন্ত্রবিধি অধ্যায় " ব্যাখ্যা করিব-মাহা আত্ৰেয়াদি মহািধগণ ৰলিয়াছিলেন ॥১ • . শরীরের নানাস্থানে নিবিষ্ট নানাপ্রকার শিল্যের আকর্ষণ ও দর্শনে যে উপায়, অৰ্শ ভগন্দর প্রভৃতি রোগে শস্ত্র ক্ষার ও অগ্নি প্রয়োগ কৰিলে তৎসমীপবৰ্ত্তী স্বস্থ স্থান সমূহের শল্যবাধা হইতে রক্ষার যে উপায় ও ব্যক্তিস্তাদি কর্মের জন্য যে উপায় অবলম্বন করা যায়, তাহাদিগকে এবং ঘটকা অলাবু শৃঙ্গ ও জাম্ববীেন্ঠ সন্দংশ প্রভৃতিকে যন্ত্ৰ কহে ॥ ২৩ অনেক প্রকার আকৃতি ও কাৰ্য বিশিষ্ট বিবিধ যন্ত্র আছে। বুদ্ধিপূর্বক কাৰ্য্যানুসারে যন্ত্রের কল্পনা করিবে। এস্থলে স্থূল স্কুল যন্ত্রের উল্লেখ করিব। স্থলযান্ত্রে বুৎপন্ন ব্যক্তি প্রয়োজনমত শেষ সুন্ম যন্ত্রের উৎপাদনে সমর্থ হইবেন ॥ ৪ স্বস্তিক যন্ত্র। যে পার্শ্বদ্বারা পরিয়া শল্য উদ্ধার করা হয়। সেই পার্শ্বকে যন্ত্রের, মুখ কহে। স্বস্তিক যন্ত্র সমূহের মুখ কঙ্ক (হাড়গিলা ) সিংহ ভল্লুক, কাক গৃধ্ব ও হরিণ প্রভৃতি পশুপক্ষির মুখের ন্যায়-করিতে হয়। আর ঐ পাওঁপক্ষীর নামানুসারে যন্ত্রের নামকরণ হইয়। থাকে। " যেমন, কঙ্কমুখ সিংহমুখ প্রভৃতি। স্বন্তিক যন্ত্র সকল অষ্টাদশ অঙ্গুলি দীর্ঘ ও প্রায়ই লৌহদ্বারা নিৰ্ম্মিত হুয়ু৷ ইহাদের কণ্ঠদেশ কীলদ্বারা আবদ্ধ থাকে, এই কীলের প্রান্তভাগ মন্তরের ন্যান্টু চেপ্টা। যন্ত্রের মূলভাগ (পরিবাই স্থান ) অন্ধুশের স্তার বক্ৰ। এই স্বস্তিত্ত্ব যন্ত্রারা অস্থিগত শল্য আহরণ করা হয়৷ ৫-৭ ংশ যন্ত্র (ট্র্যাড়শী)। এই যন্ত্র দুই প্রকার। এক প্রকার মসুরপ্রান্ত কীলদ্বারা বন্ধ, অপর একপ্রকার বিমুক্তমুখ (একপ্রান্তে সংযুক্ত ), ইহা ষোড়শাঙ্গুলি দীর্ঘ। এই সন্দংশযন্ত্র ত্বক শিরা স্নায়ু ও মাংসগত শলোর আঁহরণার্থ ব্যবহৃত হয়। আর এক প্রকার সন্দংশ যন্ত্র আছে, তাহা, ছন্ধ "অঙ্গুলি দীর্ঘ, সূক্ষ্মশলা ( নাসারোমাদি ) ও বস্ত্ৰাদিগন্ত শল্য হরণার্থ R প্ৰযুক্ত देशां थiएक ॥ . O মুচুওঁী। মুচুওঁী নামক যন্ত্র সূক্ষ্মদন্তবিশিষ্ট, সরল (অবক্ৰ ) ও মূলভাগে রূচক (অঙ্গুরীয়ক) দ্বারা বেষ্টিত। ইহা দ্বারা গভীর ব্রণের মাংস ও ছিন্নাবশিষ্ট অর্ম উদ্ধৃত্তি করা যায় ॥৮৯ তালযন্ত্র। ইহা দুই প্রকার ; মৎস্যগলতালবৎ একতালক ও দ্বিতালক। দ্বিতালক যন্ত্র দুই পার্থে মৎস্তমুখসদৃশ ও একতালক যন্ত্র এক পার্ক্সে মৎস্তমুখী সদৃশ। ইহা ১২ অঙ্গুলি দীর্ঘ। এই যন্ত্রদ্বয় কর্ণগত ও নাড়ীব্ৰণ্যস্থ শল্য আহরণার্থ ব্যবহৃত হয় ॥ ১০ নাড়ীযন্ত্র। নাড়ীযন্ত্র সমূহ বস্তিনেত্রের ন্যায় সক্রুিদ্র এবং একমুখ বা অনেক মুখবিশিষ্ট। ইহ স্বারা কর্ণাদি-স্রোতেগত শল্যের দর্শন, কণ্ঠদি-স্রোতগত রোগের দর্শন,শস্ত্ৰক্ষারান্বিব্যাহত স্থানের প্রক্ষালন, ঔষধ প্ৰণিধানাদির সৌকর্য্য এবং বিষদিগ্ধ অঙ্গাদির আচূষণ এই সকল