পাতা:অষ্টাঙ্গ হৃদয় - বাগ্‌ভট.pdf/১৭২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


dRO অষ্টাঙ্গাহৃদয় । ২৬শ অঃ দন্তলেখন শস্ত্ৰ । ইহা চতুষ্কোণ বিশিষ্ট । দন্তলেখন শস্ত্রের একদিকে ধার ও অন্য দিক আবদ্ধ । ইহা দ্বারা দন্ত শর্কর শোধন ( লেখন ) করা যায় ৷৷ ২১ সূচীশস্ত্র ও কুর্চশস্ত্র। সুচীশস্ত্র সীবন কাৰ্য্যে অর্থাৎ সেলাই করিবার জন্য ব্যবহৃত হয় . সুচী তিনপ্রকার। সূচী সমূহ বৰ্ত্তালাকার এবং ইহাদের পাশবন্ধন স্থান দৃঢ় ও গৃঢ়। শরীরের মাংসল স্থানে ত্রিকোণ মুখবিশিষ্ট ও তিন অঙ্গুলি দীর্ঘ স্বচী ব্যবহৃত হয় । অল্প মাংস স্থানে এবং সন্ধি ও অস্থির উপরিস্থিত ব্ৰণের সাবনাৰ্থ দুই অঙ্গুলি দীর্ঘ সূচী প্রয়োগ করা যায়। পঞ্চাশয়। আমাশয় ও মৰ্ম্ম স্থানের ব্ৰণ সীবনাৰ্থ ধনুকের ন্যায় বক্র, ব্রীহিসদৃশ মুখ বিশিষ্ট ও সাৰ্দ্ধদ্ব্যঙ্গুল (अज़ारे अकृलि शैर्ष) श्री बालश्ड छत्र। সূচীকুর্চশস্ত্র।-চারি অঙ্গুলি দীর্ঘ গোলাকার ৭৮টি সুচী সমতল কোন কাষ্ঠফলকে দৃঢ় রূপে নিবন্ধ হইলে তাঁহাকে সূচীকুচিঁশস্ত্ৰ কহে। ইহা নীলিকা বাঙ্গ কেশশাতন ইন্দ্রলুপ্ত ও শ্বিত্র প্রভৃতি রোগে কুট্টনার্থ প্ৰযুক্ত হয় ৷৷ ২২-২৪ 最 খাজশস্ত্ৰ। অৰ্দ্ধাঙ্গুল পরিমিত মুখ বিশিষ্ট বৃত্তাকার আটটীি কণ্টক দ্বারা নিৰ্ম্মিত শস্ত্রকে খজ কহে । এই খজশস্ত্র হস্ত দ্বারা বিলোড়িত করিয়া নাসিকা হইতে রক্ত স্রাব করাইবে ॥ ২৫ কর্ণবোধনশন্ত্র । কৰ্ণপালী বিদ্ধ করিবার জন্য যুথিকা নামক শাস্ত্ৰ ব্যবহৃত হয় । ইহার মুখ মুকুলের (যুথিকাকোরকের ) পৃষ্ঠায় জানিবে ॥ ২৬ g আরাশস্ত্র। এই শস্ত্রের মুখ অৰ্দ্ধাঙ্গুল প্ৰমাণ ও গোলাকার এবং সেই গোলাকারের উৰ্দ্ধভাগ অর্থাৎ শেষ ভাগ চতুষ্কোণবিশিষ্ট । ইহা অৰ্দ্ধাঙ্গুল প্রবেশযোগ্য। পাক বা অপক সন্দেহ হইলে ব্ৰণ শোখ এই আরাশস্ত্র দ্বারা বিদ্ধ করবে। অতি মাংসল কর্ণপালীও এই শস্ত্র দ্বারা বিদ্ধ করিতে হয়। স্কুল ব্যক্তির মাংসল কর্ণাঙ্গুলী বিদ্ধ করিবার জন্য কর্ণবেনী নামিক সূচীও ব্যবহৃত হয় । ५aहै दूरी ७ोंठुडांश छठेह fརྒྱུ་རྩ།། স্নাচ্ছিদ্র ও তিন অঙ্গুলি দীর্ঘ ॥ ২৮ (Y অনুশাস্ত্র। জলৌকা, ক্ষার, অগ্নি, কাচ (কেহ বলেন— (কশ), প্রস্তর ও নখ অৱস্কান্ত শাকপত্র প্রভৃতি লৌহ বর্জিত শস্ত্ৰম্বারা ও এবংবিধ অন্য যন্ত্রদ্বারা শস্ত্রক্রিয়া সম্পন্ন হয় খলিয়া তাহাদিকে অনুশাস্ত্র কহে। এইরূপ অপরাপর শস্ত্ৰৰ্যন্ত্ৰাদি ‘কল্পনা করিয়া তাহদের যথাযোগ্য:প্রয়োগ নিরূপণ করিবে ॥২৯ শস্ত্ৰকাৰ্য্য। পূর্বোক্ত বড়বিংশতি প্ৰকার শস্ত্রের কাৰ্য্য কথিত হইতেছে, যথা—উৎপাটন, পাটন, সীবন, এষণ, লেখন, প্রচ্ছন্ন, কুট্টন, ছেদন, ভেদন, বোধন, গ্ৰন্থন, গ্রহণ ও দাহন do শস্ত্রদোষ। কুণ্ঠর্তা (ভোতা), খণ্ডত্ব (ভাঙ্গা ), অতিসূক্ষ্মত্ব, অতিস্থলত্ব, অতিহ্রস্বত্ব,• অতি দীর্ঘতা, বক্রত্ব ও খরধারত্ব ( কৰ্কশধারী) এই আটটি শস্ত্রের দোষ ।। ৫ শস্ত্ৰধারণ বিধি। প্রয়োগ কালে কোন শস্ত্ৰ কি রূপে ধারণ করিতে হয় তাহা কথিত হইতেছে। ছেদন, ভেদন ও লেখন কাৰ্য্যে শস্ত্ৰ সমূহ, তৰ্জনী মধ্যম ও বৃদ্ধ অঙ্গুলি দ্বাঙ্গী বৃত্ত ও ফলের মধ্যে ধরিবে। বিভ্রাবণশস্ত্র সকল তর্জনী ও অঙ্গুষ্ঠস্বারা বৃন্তাগ্রে ( বাটের অগ্রভাগে) ধরিয়া বিস্রাবণ করিবে। শ্ৰীহিমুখ নামক শস্ত্রের বৃন্তাগ্র করতলে। আচ্ছাদিত রাখিয়া উহার মুখের নিকট ধরিয়া কাৰ্য্য কৱিবে । আহরণার্থশিল্পী সকল মূল ভাগে ধারণ করবে। এতদ্ভিন্ন অপরাপর অস্ত্ৰ শত্র সমুহ কাৰ্য্যের সুবিধা বুঝিয়া যথাস্থানে ধারণ করিবে অর্থাৎ- যে শস্ত্র যেরূপে ধরির্গে কাৰ্য্য সহজ। সাধ্য হয় সেই শস্ত্ৰ সেইরূপে ধরিবে ॥ ৩৪