পাতা:অহল্যাবাঈ - মণিলাল বন্দ্যোপাধ্যায়.pdf/৪০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


V8 অহল্যাবাঈ কুন্দ।-পিতা পিতা । আজ আমার জ্ঞানচক্ষু উল্মীলিত হয়েছে-আমাকে भांज़ैनी कब्रेन । মলহব।-কুন্দরাও । কার কাছে তুমি মার্জন চাচ্ছি ? মলহরীরাও হোলকার মার্জনা-বজ্জিত ! তার শাস্ত্ৰে পুত্রেরও মার্জনা নেই ; আমি তোমাকে মার্জনা করিতে আসিনি পুত্ৰ, মৰ্ম্মান্তিক দণ্ডে দণ্ডিত করতে এসেছিলেম, তোমার সৌভাগ্য-তুমি তোমার দেবী-স্বরূপিনী সহধৰ্ম্মিণীর কল্যাণে মাহেন্দ্ৰক্ষণে জাগ্রত হয়েছ ; এখন তুমি আমার LDB BDiDiTSigB DD DB BDBDK OgD S DD DDD BB ভিক্ষার সাধ থাকে, তাহলে আমার মাতার নিকট মার্জনা ভিক্ষণ করে-কৃতজ্ঞতা প্ৰকাশ করে । অহল্যা -বাবা । বাবা ! আমি কি আর. করেছি ; অন্যায় আদেশ ক’রে আমাকে লজা দেবেন না-আমার অকল্যাণ করবেন না.৷ মলহর।-মা ! যে দিন তোমাকে প্ৰথম দেখেছি—সেই দিনই বুঝেছি, তুমি আদ্যাশক্তি ভবানীর অংশে জন্মগ্রহণ করেছে । তোমার আগমনের সঙ্গে সঙ্গে আমার বংশ পবিত্র হয়েছে-আমার সাম্রাজ্য উজ্জ্বল হয়েছে। মা বিলাস-বিদ্বেষী মলহরীরাও হোলকার তার একমাত্র বংশধরকে বিলাস-পঙ্কে নিমজ্জিত দেখেও এতদিন নীরব ছিল কেন তা জান কি ?--কেবল তোমার জন্য, তুমি তার জীবন-সঙ্গিনী সেই জন্য । তোমার মতন দেবীস্বরূপিনী রমণী যার সহধৰ্ম্মিণী সে কখনো অধঃপতনের শেষ সীমায় পদাৰ্পণ করতে পারে না-আমার মনে এই ধারণা প্ৰবল ছিল ; তাই এতদিন পৰ্য্যন্ত আমি তাকে ক্ষমা ক’রে এসেছি। ! কিন্তু আজ ঘটনাচক্ৰে আমি সহ্যের সীমা অতিক্রম ক’রে পুত্রের বিলাসকুঞ্জে আসতে বাধ্য হয়েছি! তুমি বড় সন্ধিক্ষণে তাকে জাগিয়েছ মা ! কুন্দরাও ! আমি আজ এখানে এসে