পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/১০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


wt cm マーt as?t I ● 河ラt研 “আসেন।” রামপদ বলে ক্লিষ্ট স্বরে, দ্বিধা-সংশয়-পীড়িত ভীরু অসহায়ের মতো । তিন জন কাছে এগিয়ে এসেছে, ওদের দিকে না। তাকিয়েই সে অনিশ্চিত অভ্যর্থনা জানায়, চোখ সে পেতে রাখে। মুক্তার উপর। খানিক তফাতে থাকতেই মুক্তা থেমে গিয়ে হয়ে আছে কাঠের পুতুল। “তোমার বৌকে দিয়ে গেলাম ভাই। যা বলার, সব তোমায় বলেছি। ওর মন ঠিক আছে। যা হবার হয়ে গেছে, ভুলে গিয়ে আবার তোমরা ঘর-সংসার পাতো । আর এক দিন এসে আমরা দেখে যাব।” দিয়ে তো গেলেন।” বলে উৎসাহহীন বিমর্ষ রামপদ । মাথার চুলে হাত বুলিয়ে একবার সে ঢোক গেলে, চােখের পাতা পিটি-পিট করে তার। শীর্ণ মুখখানা বসন্তের দাগে ভরা, চুপিসানো বা গালটাতে লম্বা ক্ষতের দাগ। তবু এই মুখেও তার হৃদয়ের জোরালো আলোড়নের কিছু কিছু নির্দেশ ফুটেছে তার শিথিল নিস্তেজ সৰ্ব্বাঙ্গজোড়া ঘোষণার সুস্পষ্ট মানে ভেদ করে। যাবে বলেছিলে, গেল না কেন রামপদ ? “তই তো মস্কিল হয়েছে দিদিমণি ৷” সমাজ তাকে শাসিয়েছে, বৌকে ঘরে নেওয়া চলবে না। নিলে বিপদ আছে। সমাজ মানে ঘনশ্যাম দাস, কানাই বিশ্বাস, নিধু নন্দী, লোচন কুমার, বিধু ঘোষ, মধু নন্দী এরা ক’জন। ঘনশ্যাম এক রকম সমাজপতি এ অঞ্চলের চাষা-ভুষোদের, অর্থাৎ চাষী গয়লা কামার কুমোর তেলি ঘরামি জেলে প্ৰভৃতির। সে-ই ডেকে কাল