পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/১১৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


°t西夺t可叶可°可分窗 আলাদা। তাও খুব হিসেব করে আদায় বন্ধ করতে হয় মশায়! বড়লোক তো নাই, নিজের কটা টাকা ফুরিয়ে গেলে দরকারের সময় দু’পাঁচটা টাকাও তো কাউকে দিতে পারবো না।” কৈলাসকে উত্তেজিত মনে হয়। জোরে নিশ্বাস গ্ৰহণ করে। হঠাৎ সুর বদলে বলে, “অসলে কথা ক্ষমতা নেই, বড় বড় কথা ভেবে করবো কি বলুন ? তাতে একুল ওকুল দু’কুল নষ্ট-ছেলেমেয়েগুলির দু’বেলা পেট ভরে ভাত জুটবে না। তার চেয়ে নিজের যেটুকু শক্তি আছে কারো ক্ষতি না করে-” কেদার বলল, ‘হঁ্যা হ্যা জানি। বক্তৃতায় আপনারা খুব পটু। ক্ষতি করেই বা কত ছাড়েন । কবে আপনি আমায় জেলে মাগীর ঘরে যেতে নিজের চোখে দেখেছিলেন মশায় ?” অভিযোগটা কৈলাস আগাগোড়াই অস্বীকার করল, কিন্তু কেদার বিশ্বাস করল না । মুখ ফুটে অবিশ্বাসটা প্ৰকাশ করলে কৈলাস হয়তো কথাটা আরও খানিকটা পরিষ্কার করে বুঝিয়ে দিতে পারতো। কিন্তু মুখের উপর মনুষকে ওভাবে মিথ্যাবাদী বলাও কেদারের পক্ষে बg कठिन। পোস্টাপিসের কাছে ছাড়াছাড়ি হল । কেদারের সঙ্গী একটি ছেলে মন্তব্য করল, চাই বটে লোকটা । কেমন আশ্চৰ্য্য ব্যাপার দেখুন, এরকম স্বার্থপর ছোটলোক তো মানুষটা, তবু নকুড়, শশী এদের কা.ে "ওরা কী খাতির।’ কেদার বলল, “খাতির করে, না। ডরায় ? ছেলেটি বলল না, ঠিক ডরায় না, । ওকে খুব বিশ্বাস করে।” QòSR