পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/১২৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


শক্ৰমিত্ৰ আদালতের বাইরে আবার দেখা হয় দুজনের, পানবিড়ি চা মুড়ি মুড়কি। আর উকিল মোক্তারের দোকানগুলির সামনে । দু’জনে তারা : পরস্পরের দিকে তাকায়। তীব্র বিদ্বেষের আগুণে যেন পুড়ে যায় দু’জোড়া চোখ। দাতে র্দাত চেপে চাপা গলায় রসুল একটা অকথ্য কুৎসিৎ কথা বলে। কথাটা দামোদরের কাণে যায় না, ভিতরের হিংসার ধাক্কাতেই সে হাত দুটো মুঠো করে রসুলের দিকে দু’পা এগিয়ে যায় নিজের অজান্তে, উচ্চারণ করে বিশ্ৰী একটা অভিশাপ, তারপর লাল কঁকার বিছানো পথ ছেড়ে ঘাসের উপর দিয়ে হন হন করে চলতে আরম্ভ করে কিছুদূরের বড় বটগাছটার দিকে। বটের ছায়ায় অনেক লোক কেউ বসে আছে, কেউ দাড়িয়ে । গাছটার গোড়ার দিকে ঘেঁষে বসে চাপা আকাশ পাতাল ভাবছিল। তার মুখের ভাবটা ভ্ৰকুটিগ্ৰস্ত। পাশে বসে বিড়ি টানছিল দেবর মহেশ্বর। মহেশ্বরের তৈলহীন রুক্ষ চুলে নিখুঁত ভাঁজের টেরি। দুপুরের বাবালো রোদে চারিদিক ঝলসে যাচ্ছে। বটের বিস্তীৰ্ণ গাঢ় ছায়া পৰ্য্যন্ত গরম। প্ৰতাপগড়ের বাস ছাড়বে সেই বিকেলে, আদালতের কাজ শেষ হওয়ার পর । এখানেই সময় কাটাতে হবে GT 98yy ফের আসতে হবে তোমাকে ? চাপা শুধোয়। এগার বছরের পুরনো উড়নী বঁচিয়ে কেঁচার খুটে কপালের ঘাম Da