পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/১৩৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


इां च द भां चां क इ শেষ বেলায় ফুলবাড়ী-মালদিয়া নামমাত্র পথ ধরে বেঁচেকা মাথায় দু'জন লোক চলেচে মালদিয়ার দিকে। বেশভূষা বেঁচেকশ্বর আকার, বয়স, আর গায়ের রঙ ছাড়া দু’জনের মধ্যে পার্থক্য বেশী নেই।--অর্থাৎ, লম্বায় চওড়ায় দু’জনেই প্ৰায় সমান হবে। গায়ের জোরে কিনা বলা অসম্ভব, জোরের পরীক্ষা কখনো হয় নি। রাঘব মালাকরের কোমরে একহাত একটি গামছা জড়ানো, জ্যালিজেলে পুরনো গামছা । গৌতম দাসের পরনে প্রমানসাইজ ঘরে-কাচা আধপুরনো মিলের ধুতি, গায়ে পুরনো ছিটের সার্ট, ঘাড়ের কাছে একটু ছিড়েছে। পায়ে ক্যাম্বিসের জুতো। রাঘবের বেঁচকাটা বেশ বড়, গৌতমের বেঁচেকা তার সিকির চেয়ে ছোট হবে। রাঘবের আৰ্ছাটা চুলে পাক ধরেছে, গৌতমের ছাটা চুলেও তাই, তবে রাঘব পনের বিশ বছরের বড় হবে গৌতমের চেয়ে । রাঘব মিশকালো, গৌতম মেটে । O খান দশেক কুঁড়ের নামহীন গায়ের কাছে এসে একটু হাঁপ ধরে রাঘবের। গতবারের চেয়ে এবারের বোঝাটা বেশী ভারি। দু’চার মিনিটের জন্য বোঝাটা একটু সে নামিয়ে রাখে। গৌতম বলে, “আবার নামালি ? আজি তোর হয়েছে কি র্যা ? “ডবল বোঝা ঘাড়ে চাপিয়ে বলছ ? আঙ্গুল দিয়ে কপালের ঘাম চেছে এনে ঝেড়ে ফেলে রাঘব বলে, “বাপস ! কাপড়ের এত ওজন হয় জানতাম না বাপু ! এত কাপড় জন্মে দেখি নি দোকান ছাড়া ।” গৌতম চোখ পাকিয়ে তাকিয়ে বলে, “কাপড় ? কাপড় কিরে। a Sج