পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/১৪১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


| घ | • ढ् द ट्र তোরাই বুঝে দ্যাখ । পুলিশ কেন, তোরা কাপড় লুটে নিয়েছিস, কারো কাছে বলবার উপায় নেই। আমার ?” রাঘব বলে, “তা বটে। এটা তো খেয়াল করি নি মেরা।” সকলে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে এতক্ষণে। বাবুঠাকুরকে চিরতরে নিশ্চিহ্ন না করে ফেলে তাদের উপায় ছিল না, কিন্তু জীবন্ত একটা মানুষকে এভাবে মারতে কি সায় দেয় মানুষের মন ! বাবুঠাকুর নিজেই যখন চোর, তার চোরাই মাল কেড়ে নিলেও কি করতে পারবে বাবুঠাকুর ? ওকে ছেড়ে দিলে তাদের কোন ভয় নেই। রাঘব বলে, “তবে তুমি যাও বাবুঠাকুর। অপরাধ নিও না।” উঠে দাড়াতে গিয়ে গৌতম পড়ে যায়। কথা বলতে গিয়ে গলার আওয়াজ বার হয় না। কাঠের মতো শুকনো গলায় ক’বার ঢোক গিলবার চেষ্টা করে সে কোনমতে বলে, “জলি । জল দে একটু।” মোদের ছোয়া জল যে বাকুঠাকুর ।” গৌতম মাথা হেলিয়ে সায় দিয়ে বলে, “দে।” জল খেয়েই সে পালায় । পরদিন পুলিশ আসে দল বেঁধে, বিকেলের দিকে। " দলিলপত্ৰ তৈরী করে আটঘাট বেঁধে সব সাজিয়ে গুছিয়ে নিতে এক বেলা সময় লাগে, নইলে সকালেই পুলিশ আসত। নাথগঞ্জের গগন সা’র প্রকাশ্যে কাপড়ের দোকানও একটা আছে। তিন দিন আগের তারিখে মালদিয়া গায়ের জন্য কিছু কাপড় Yv09