পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/১৬০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


°时西夺计可叶可°可引窗 হঁাড়ি ঝেড়ে সে একটু ধুলো-মেশানো গুড়ে বার করে, তাই ফুটিয়ে খাইয়ে দেয় নাতনীকে, শুকনো পাতার আগুন জেলে । তিন দিন পরে একটা ছেলে আর একটা মেয়ের জন্য তারার কান্নাটা হয় অনেক নিস্তেজ। ছেলেমেয়ে দুটো অসুখে ভুগছিল। ওষুধের অভাবে যে তারা মরল ঠিক তা নয়, আসলে মরাল খেতে না। পেয়ে রোগটাকে উপলক্ষ করে । ,থমে থেমে তারা সুর করে। कँांब्ल जांद्भांन् ि। আধাপোড়া ভাইবোন দুটিকে খালে ভাসিয়ে দেবার পর সকলের সঙ্গে ভুতো বাড়ী ফিরছে। হৃদয়-পণ্ডিতের বাড়ীর সামনাসামনি সে পেছিয়ে পড়ল। সকলের খানিক পরেই সেও বাড়ী ফিরল, এইটুকু একটা মরা ছাগল ছানাকে গামছায় জড়িয়ে । ছানাটা গায়ের প্ৰাথমিক স্কুলের মাষ্টার হৃদয় পণ্ডিতের ছাগলের। স্কুল উঠে যাওয়ায় হৃদয় এখন জোতদার পূর্ণ ঘোষালের ধানের হিসেব লিখছে। ছাগল ছানার মাংসটা মনা’ই রোধে দিল নুন হলুদ দিয়ে, বিনা তেলে। বিধবা হয়ে বাপের বাড়ী এসে হৰিষিাও জুটছিল না বলে ওসব রীতিনীতির কথা ভুলে গিয়ে রাধতে রাধতেই মন খানিকটা কচি মাংস খেয়ে নিল। এই নিয়ে হাতাহাতি কামড়াকামড়িও হয়ে গেল। ভূতোর সঙ্গে তার। আঠার বছরের মন আর বিশ বছরের ভূতোর ay পরদিন এল। হৃদয়-পণ্ডিত । সদর দাওয়ায় শুয়ে ছাগল তার মাই দেয় ছানাকটাকে, আর গলা টিপে ভুতো কিনা চুরি করে আনে। সেই ছানা ! (V)