পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/১৬৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


°西夺计可叶可鸣可引颈 সুখে রাখবার জন্য শহরে পাঠিয়ে নিজের মাছ দুধ খাবার আর স্ত্রীকে 'শাড়ী গয়না দেবার ব্যবস্থাটা হৃদয়-পণ্ডিত করতে পারল । মাঝরাত থেকে শুরু করে পরের সমস্ত দিনটা মেয়ের জন্তে । অপেক্ষা করে দুই ছেলেকে নিয়ে তারা গেল হৃদয়-পণ্ডিতের বাড়ী। “মেয়েটা পালিয়েছে পণ্ডিতমশায়।” “তাই নাকি ? সত্যি ? ছিছি।” مال মোকে দিন পাঠায়ে সদরে। কি হবে। আর ঘর আগলে থেকে ?” খানিক চুপ করে থেকে হৃদয়-পণ্ডিত বলে, “ওতে একটু গোলমাল হয়েছে ভূতোর মা। যেখানে পাঠব বলেছিলাম না, সেখানে আর লোক নেবে না খবর পেয়েছি।” দুই ছেলেকে আগলে তারা ঠায় বসে থাকে দাওয়ায়। মাথায় তার কিলবিল করে ঘুরে বেড়ায় অজস্র উকুন । সঁাঝ বরণের অন্ধকার চাদ উঠে আসায় ফিকে হয়ে আসে। তারা বুঝতে পারে, তার ছেলে দুটো হৃদয়-পণ্ডিতের দাওয়ার মাটিতেই ঘুমিয়ে পড়েছে। তাদের সেইখানে রেখে তারা চুপি চুপি রাস্তায় নেমে যায়। হাটতে আরম্ভ করে সদরের দিকে। তারপর অনেক কাণ্ড ঘটে তারার জীবনে । মাসখানেক পরে এক হাসপাতালে আয়নায় নিজের মুখ দেখে তারা প্রশ্ন করে, “ও কে গো ?” “দেখ, ত চিনতে পার কি-না। ও হল সাতাইখুনির গগনের বউ "তারার মুখ ৷” or তারা হেসেই বঁাচে না।—“দূর! তারার মাথা ন্যাড়া হবে কেন গো ? কত চুল তারার মাথায়!” । । مه" " . . . " S. d)