পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/২৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


छ: शां न नी ग्र জন্মেই আছে। তারপর সেই গায়ে চারিদিকে ছায়ামূৰ্ত্তির সঞ্চরণ চােখে দেখে এবং মৰ্ম্মে অনুভব করে তাদের কি সন্দেহ থাকতে পারে যে জীবিতের জগৎ পার হয়ে তারা ছায়ামূৰ্ত্তির জগতে এসে পৌঁছে C°C፱ ! গাছপালার আড়ালে একটা ছনের বাড়ী। বাড়ীর সামনে ভাঙ্গা বেড়া কান্ত হয়েও দাড়িয়ে আছে। বেড়ার ও পাশ থেকে নিঃশব্দে ছায়া বেরিয়ে এসে হনহন করে এগিয়ে আদৃশ্য হয়ে যাবে জমকালো কতগুলো গাছের ছায়ার গাঢ় অন্ধকারে, নয়তো কাছাকাছি এসে পড়ে। থমকে দাড়াবে, চোখের পলকে একটা চাপা উলঙ্গিনী বিদ্যুৎ ঝলকের মতো ফিরে যাবে বেড়ার ওপাশে । ডোবাপুকুরে বাসন মাজবে ছায়া, ঘাট থেকে কলসী কঁাখে উঠে আসবে ছায়া। ছায়া কথা কইবে ছায়ার সঙ্গে, দিদি, মাসী, খুড়ী বলে পরস্পরকে ডেকে হাসবে কঁদবে অভিশাপ দেবে আদেষ্টকে, আর কথা শেষ না করেই ফিরে যাবে এদিকে ওদিকে এ-কঁড়ে ও-কঁড়ের পানে বিড়বিড় করে বকতে বকতে। বিদেশীর সামনে পড়ে গেলে চকিতে ঝোপের আড়ালে অন্তরাল খুজে নিয়ে ভীত করুণ প্ৰতিবাদের সুরে ছায়া বলবে, কে ? কে গো ওখানে ? কোন ছায়ার গায়ে লটকানো থাকে একফালি ন্যাকড়া, কোন ছায়ার কোমরে জড়ানো থাকে গাছের পাতার সেলাই করা ঘাঘরা, কোন ছায়াকে ঘিরে থাকে। শুধু সীমাহীন রাত্রির আবছা আঁধার, কুরু সভায় দ্ৰৌপদীর অন্তহীন অবৰ্ণনীয় রূপক বস্ত্রের মতো । সারাটা দিন, সূৰ্য্যের আলো যতক্ষণ উলঙ্গিনী করে রাখে, R