পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৩৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আ জা কা লা পা র শু। র গ ল চুরমার হয়ে যায় হাঁড়িটা, পান্ত ছড়িয়ে পড়ে চারিদিকে। তখন মাদুরটা খুলে ছাড়ে ফেলে ভুতি এটাে ভাত আর ভাত ভেজানো এটাে জলের মধ্যেই ধাপ করে বসে দু’হাতে মুখ ঢেকে সুরু করে কান্না । আর এমনি আশ্চৰ্য্য কাণ্ড, এবার তার শুকনো চোখ থেকে জল বেরিয়ে আঙ্গুলের ফাঁক দিয়ে গড়িয়ে ফোটা ফোটা মিশতে থাকে LDLLG B DDD S রাবেয়া বলে আনোয়ারকে, “আজ শেষ । আজ যদি না কাপড় আনবে তো তোমায় আমায় খতম। পুকুরের ডুবাব, খোদার কসম ।” রাবেয়া ক'দিন থেকেই এ ভয় দেখাচ্ছে, তবু তার বিবৰ্ণ মুখ, রুক্ষ । চুল আর উদভ্ৰান্ত দৃষ্টি দেখে আনোয়ারের বুক কেঁপে যায় । চাষীর ঘরের বেী দুর্ভিক্ষের দিনগুলি না খেয়ে ধুকতে ধুকতে কাটিয়ে দিয়েছে, কথা বলেনি, শাক পাতা কুড়িয়ে এনে খুদ কঁড়োর সাশ্রয় করে তাকে বঁচিয়ে লড়াই করেছে নিজে বাঁচবার জন্য । আজ কাপড়ের জন্য সে কামনা করেছ মরণ ! খেতে দিতে না পারার দোষ ও গ্রাহ করেনি, পরতে দিতে না পারার দোষ ও সইতে নারাজ, দিনভর ফুসে ফুসে গজনা দিচ্ছে। বিবিকে যে পরণের কাপড় দিতে পারে না সে কেমন মরদ, তার আবার সাদি করা কেন ? অনুনয় করে আনোয়ার বলে, “আজিজ সাবু খপর আনতে গেছেন। হাতিপুরের কাপড়ের ভাগ মিলবে আজকালের মধ্যে। একটা দিন সবুর কর আর।” ‘সবুর। আর কত সবুর করব ? কবরে যেয়ে সবুর করব। এবার।’ ] সেমিজ না পরলে দু’ফেরত শাড়ী পরা রাবেয়ার অভ্যাস । OO