পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৪০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


°t西夺廿可叶可电可分研 আদায় করেছে। বাড়তি শাড়ী ঘরে ছিল। কিন্তু রসুল মিয়াও একটু ভয় পেয়ে গেছেন। অবস্থাটা একটু ভাল করে বুঝতে চান আগে। ক’দিন পরে তিনি একখানা শাড়ী অন্তত আনোয়ারকে দেবেন, আজ হবে না। তাই হোক, তাও মন্দের ভাল। রসুল মিয়ার কথার খেলাপ হবে না। আশা করা যায়। রাবেয়াকে এই কথাটা অন্তত বলা যাবে । রাবেয়া খানিক পরে ঘাট থেকে ফিরে আসে। অদ্ভত রকম শান্ত মনে হয়। আজ তাকে । আনোয়ার গোড়ায় তাকে দুঃসংবাদটা দেয়। রাবেয়া বলে, “জানি।” তারপর আনোয়ার রসুল মিয়ার কাছে দু’চারদিনের মধ্যে শাড়ী পাবার ভরসার খবরটা জানায়। এবারও রাবেয়া বলে, “জানি।” দাওয়ায় এসে রাবেয়া তার কাছেই বসে। তেল নেই, দীপহীন অন্ধকার বাড়ী। অন্ধকার বলেই বুঝি পায়খানার ছেড়া চটের পর্দা জড়িয়ে নিজের কাছে রাবেয়া লজ্জা কম পায়। তাই বোধ হয়। সে শান্ত হয়ে বসে কথা বলে আনোয়ারের সঙ্গে, ফুসে না, শাসায় না, খোচায় না। মনে মনে গভীর স্বস্তির নিশ্বাস ফেলে আনোয়ার অনেকদিন পরে সাহস করে হাত বাড়িয়ে রাবেয়ার হাত ধরে। রাবেয়া বলে, “খাবেনি ? চল ।” চিল ।” দাওয়ার গাঢ় অন্ধকার থেকে ক্ষীণ চাদের আলোয় উঠানের আবছা! অন্ধকারে নেমে রাবেয়া একটু দাড়ায়। তারপর আনোয়ারকে অবাৰু করে গায়ে জড়ানো চটটা খুলে ছুড়ে দেয় উঠানের কোণে । VK)e