পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৪৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


可t西夺t可叶可鸟可引颈 নিষ্কাম দৃষ্টি। রাবণের অধিকার বজায় থাকা পৰ্য্যন্ত ধাৰ্ম্মিক বিভীষণ বরাবর যে দৃষ্টিতে কৃশোদরী মন্দোদরীকে দেখত, কালাচাঁদ সেই দৃষ্টিতেই মেয়েদের দেখে থাকে। এটুকু ছাড়া অবশ্য বিভীষণের সঙ্গে "ঠােমাচঞ্চলের তুলনা চলেনা। বছর পাঁচেক আগে কালাচাঁদের দাদা কি ভাবে যেন মারা যায়। দাদার দু’নম্বর বেওয়ারিশ পত্নীটিকে স্নেহ করা দূরে থাক, কালাচাঁদ তাকে জোর জবরদস্তি করে একটা বাড়ীর বাড়ীউলি করে দিয়েছিল। সেটি কালাচাদের পারিবারিক বাড়ী নয়। অনেক তফাতে ভিন্ন একটি ভাড়াটে বাড়ি। সে বাড়ীতে তখন দশ বারটি মেয়ে বাস করত। তার পাশের বাড়ীটিও কালাচাঁদ কিছুদিন আগে ভাড়া নিয়েছে। দু’বাড়ীতে এখন মেয়ের সংখ্যা সতের আঠার। কালাচাদের মন্দোদরী এখন দুটি বাড়ীর কত্রী। মহিলাটি কয়েক বছরের মধ্যেই আকারে একটু স্থল হয়ে পড়েছেন। উদর রীতিমতো মোটা। ধপধপে আধাহাতা সেমিজের উপর ধপধাপে থান পরলে তাকে সম্রান্তবংশীয় দেবীর SVD Creig i দুর্ভিক্ষে সহরে মেয়ের চাহিদা বাড়ায় এবং মফঃস্বলে মেয়ে সস্তা ও সুলভ হওয়ায় কালাচাঁদ এদিক ওদিক ঘুরেছে। দেশের গাঁয়ে এসে তার শৈলকে পছন্দ হয়ে গেল। শৈল অবশ্য তখন কঙ্কালসার, কিন্তু এ অবস্থায় এসে না পড়লে কি আর এসব ঘরের মেয়ে বাগানো যায় ? তাছাড়া, উপোস দিয়ে কঙ্কাল হয়েছে, কিছুদিন ভাল খেতে দিলেই গায়ে মাংস উথলিয়ে উঠবে। শৈলকে সে আগেও দেখেছে। রূপ তার চলনসই হলেও কালাচাঁদের কিছু এসে যায় না। প্ৰতি