পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৫০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ख्या छ दा ढंग 9 द्व ९७ दू 2 ब्र কেশব চুপ করে থাকে। টর্চের আলোয় কালাচাঁদ একবার তার মুখ দেখে নেয়। চােখ দেখে নেয়। চােখ ঝলসানো আলোয় বুনো পশুর চোখের মতো কেশবের জলভরা চোখ জ্বলজ্বল করতে থাকে, পলক পড়ে না। খানিক অপেক্ষা করে কালাচাঁদ বলে, চটপট করাই ভাল। এই কাপড় জামা এনেছি, শৈলকে পরে নিতে বলুন। মালপত্র আনতে পাঠাই চকোক্তি মশায় ?” কেশব অফুটম্বরে সায় দেয় না বারণ করে স্পষ্ট বুঝা যায় না। শৈলর মা আরেকটু স্পষ্টভাবে বিনায়। কালাচাঁদ সঙ্গের লোকটিকে হুকুম দেয়, মালগুলো সব আনগে যা বদ্যি ওদের নিয়ে। ড্রাইভারকে বলিস যেন গাড়ীতে বসে থাকে ৷” মেঝে লক্ষ্য করে কালাচাঁদ টৰ্চটা জেলে রাখে। অন্ধকারে তার গা ছমছম করছিল। বিছুরিত আলোয় ঘরে রঙ্গমঞ্চের নাটকীয় স্তব্ধতার থমথমে বিকার সৃষ্টি হয়। কেশব উবু হয়ে বসেছে, তার হাতে শৈলর জন্য আনা রঙীন সাড়ী, সায়া ও ব্লাউজ। ঠিক পিছনে দাড়িয়ে আছে শৈল । “একটা তবে অনুমতি কর বাবা।” কেশবের গলা অনেকটা শান্ত মনে হয়। “বলুন।” “শৈলিকে তুমি বিয়ে করে নিয়ে যাও।” ‘বিয়ে ? আপনি পাগল নাকি ? শৈলর হাতে জামা কাপড় দিয়ে কেশব গিয়ে মুম্বািচত্ৰলে; হাত 13V)