পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৫১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


न भूभां ধরে । মিনতি করে বলে যে বিয়ে সে বিয়ে নয়। দশজনের সামনে পুরুত যে বিয়ে দেয়, সাক্ষীসাবুদ থাকে, বরের দায়িত্ব আইনে সিদ্ধ হয়, সে বিয়ে নয়। এ কেবল কেশবের মনের শান্তির জন্য । ‘আমি শুধু নারায়ণ সাক্ষী করে শৈলকে তোমার হাতে সঁপে দেব। তারপর ওকে নিয়ে তুমি যা খুন্সী কোরো, সে তোমার ধম্মো। আমার ধম্মো রাখে।” এটুকু করতে দাও।” দুজন জোয়ান লোকের মাথায় শৈলর মূল্য এসে পড়েছিল। গা উজাড় হয়ে যাক, তবু বেশী লোক সঙ্গে না করে মাঝরাত্রে গায়ের একটা মেয়েকে নিতে আসবার মতো বোকা কালাচাঁদ নয়। এক পেয়ে তাকে কেটে পুতে ফেলতে কতক্ষণ । কেশবের ন্যাকামিতে বিরক্ত হয়ে সে বলল, “যা করবার করুন চটপটু।” কালাচাদের কাছ হতেই দেশলাই চেয়ে নিয়ে কেশব ঘরের এক কোণে শিলারূপী নারায়ণের আসনের কাছে প্ৰদীপটি জ্বালল। ঘরের বাইরে জ্যোৎস্নায় গিয়ে শৈল নতুন ও রঙীন সায়া ব্লাউজ শাড়ী পরে এল। প্ৰদীপে সামান্য তেল ছিল । কেশবের নারায়ণ সাক্ষী করে কন্যাদানের প্রক্রিয়ার সমস্তক্ষণ শৈলর বারবার মনে হতে লাগল, প্ৰদীপের তেলঢুকু মালিশ করলে বাপের পেট-ব্যাথা হয়তো তাড়াতাড়ি কমে যেত, অতিক্ষণ বাপ তার কষ্ট পেত না পেটের ব্যথায়। নিবু নিবু প্ৰদীপের আলোয় কালাচাঁদ আর শৈলর হাত একত্ৰ করে কেশব বিড় বিড় করে মন্ত্র পড়ে। কালাচাঁদ দারুণ অস্বস্তি বোধ করতে করতে তাগিদ দেয়, “লীগগির করুন।” ঘরে যে ঠাকুর আছেন 8