পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৫৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


可t西夺t可外可鸣可分窗 দু’জনের। থেকে থেকে দু’জনে আবার হেসে উঠছে খলখলিয়ে, হিহি করে। মেনকা হাপুসা নয়নে কঁদে আর বলে, “আমি কোথায় যাব ? কার কাছে যাব ? মোর কে আছে ?” নন্দর বৌকে বাড়ীর কারো পছন্দ হয়নি। একে ধাড়ী মেয়ে, তাতে দূর সম্পর্কের মামাবাড়ীতে মানুষ, বিয়েতে পাওনা গণ্ডা জোটেনি ভালরকম, গয়না যা দেবে বলেছিল মেয়ের ধড়িবাজ মামা—তা পৰ্য্যন্ত সবগুলি মেনকা নিয়ে আসেনি। তার ওপর নন্দ নিজে পছন্দ করে’ বাড়ীর লোকের অমতে তাকে বিয়ে করেছে—বিয়ে করে এনে বাড়ীর লোকের মতামতের তোয়াক্কো না রেখে মাথায় করে রেখেছে বৌকে। বিয়ে সম্পর্কে ছেলের অবাধ্যতার জ্বালা মানুষের জুড়োয় না, মন বিষাক্ত হয়ে থাকে বৌয়ের ওপরেই। রোজগেরে ছেলের ওপর তো গায়ের বাল ঝাড়া যায় না ! তার ওপর বিয়ের এক বছরের মধ্যে নন্দ মারা গেল । বর্ষার শেষে পথঘাট উঠানের কাদা যখন শুকোতে আরম্ভ করেছে, বাড়ীর লোকের সঙ্গে ঝগড়া করে নন্দ তখন বৌ নিয়ে দু’মাসের জন্য পশ্চিমে বেড়াতে যাবার জন্য আয়োজন করছে। এ বাড়ীর কোন বৌ কোন কালে এক স্বামীর সঙ্গে আজ পৰ্য্যন্ত কোথাও বেড়াতে যায়নি। এমন অলুঙ্গুণে বোঁকে কে বাড়ীতে রাখবে ? মেনকার মামাকে লেখা হয়েছিল তাকে নিয়ে যাবার জন্য । সে জবাবও দেয়নি। . রাখালের সঙ্গে তাই তাকে পাঠিয়ে দেবার s