পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৬৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


भ श्र' व् সে কেঁদে ফেলে ফুপিয়ে। প্ৰায় জমে যাওয়া অনুভূতিগুলিও যেন তার সূৰ্য্যের তাপে এতক্ষণে জীবন্ত হয়ে উঠেছে। Sh তাড়াতাড়ি শীতের কঁপুনি কমাতে কানাই এক ছিলিম তামাক সেজে নিয়েছিল। দু'হাতে ছিলিমটা পাকিয়ে ধরে সঁ। সঁা করে কয়েকবার টান দিয়ে ধোয়া ছাড়তে ছাড়তে আধবোজা গলায় সে বলে, “কঁাদিস নি। মঙ্গলা । পরের বার ভাগব নি। আর । ঘরে থাকব। যা করার করবে। ” পাছী টন টন করে ওঠে মঙ্গলার। পাছায় সে বেত খেয়েছিল দু’মাস আগে, সে ব্যথা আজও থাকার কথা নয়। তবে উলঙ্গ করে বেত মারা হয়েছিল বলে বোধ হয়। ঘটনার সঙ্গে শারীরিক বেদনাটাও তাজা কটকটে হয়ে আছে স্মৃতিতে । কানাই-এর ছোট ভাই বলাই ডোবায় না গিয়ে উঠেছিল বাড়ীর দক্ষিণে তেঁতুল গাছটায়। ওদের মতো জলকাদায় ভিজে শীতে কষ্ট না পেলেও সমস্ত শরীরটা তার ব্যথায় টনটন করছে। কলকেট নিয়ে দাদার দিকে পিছন ফিরে বসে টান দিয়ে সে বলে, “মোদের আর কিছু করবে না মন করে। ফেরার কাজনার জন্যে তো হানা দিচ্ছে, মোদের মারধোর আর না করতে পারে।” বলেছে তোমার কানে কানে, পীরিতের সাঙ্গাৎ তুমি।” মঙ্গলা গর্জে ওঠে। সেই সঙ্গে তারস্বরে উদ্ধার করতে আরম্ভ করে জগতে যেখানে যত পুলিশ আছে তাদের চোদপুরুষকে । বাড়ীর সামনে পথ দিয়ে যেতে যেতে কথাগুলি শুনতে পায় অধর VeR