পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৭৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


भ छ व्ा আর ভূদেব নয়, ফেরারীদের আরেকজনও নাকি গাঁয়ে এসেছিল কাল রাত্রে। কে সে ঠিকমত জানা যায় নি। কেউ বলে দীনু বসাকের ছেলে তিনকড়ি, কেউ বলে সতীশ সামন্তের ভাই যতীশ সামন্ত, কেউ বলে পদ্মলোচন সাউ নিজে । মঙ্গলার হঠাৎ খেয়াল হল অধরের কথার আসল মানেটা । না, তাদের পেটে কথা থাকে না বলে ব্যাপারটা তাদের শোনাতে ভাবনা হয়নি অধরের, ব্যাপারটার যে ব্যাখ্যা ও বিশ্লেষণ আর পলাতকদের যে সমালোচনা সে শুনিয়েছে তাই ছিল তার গোপন কথা । কে জানে গায়ের মানুষ দুর্ভোগ চায়, না, ফেরারীরা ধরা দিয়ে তাদের একটু স্বস্তি দিক, এটা চায়! সে দিনকাল আর নেই, ঘা খেয়ে খেয়ে কেমন যেন হয়ে গেছে শান্তশিষ্ট অলস নিজীব মানুষগুলি। ওদের মন বোঝা ভার ! তবে, কিছুই না করে, বাড়ী বাড়ী অন্তত খানাতল্লাস আর সকলকে জেরা পৰ্য্যন্ত না করে, ভোর ভোর পুলিশ গা ছেড়ে চলে গেল কেন ভেবে সবাই অবাক হয়ে গেছে। t মঙ্গলাও এই কথাটাই ভাবছিল । কালু দাসের কচি বৌটা, স্বামী যার এখনো আটক আছে, জলে কলসী আর পা ডুবিয়ে বসে চুপ করে সকলের কথা শুনছিল, মাথাটা একটু হেঁট করে একদৃষ্টি কালচে জলের নীচে খেলায় রত দত্তদের পোষা বড় বড় লালচে রুই কটার দিকে চেয়ে । মঙ্গলা কলসী কঁাখে। তুলে উঠছে, সে হঠাৎ বলে, “যাবে নি ? একবার ওনারা এয়েছেন, ফের তে আসতে পারেন, তাই চলে গেছে। ফের। ওনারা এলে, তখন ধরবে ।” শুনে কেউ অবাক হয় না, মুখ চাওয়াচাওয়ি করে না । পুলিশ কেন