পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৭৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


भ अ बां গিয়ে লাথি মারে মঙ্গলা মোটে একবার। গোলকের কাছে সে সতীত্ব দিতে পারত খুসী মনে আর গোলকের জন্য তার সতীত্ব গোল আস্তাকুড়ে, লাঞ্ছনা হল অকথ্য। পা দিয়ে আবার রক্ত বেরেলি, দ্যাখো । তার খবর নিতে কেন আসবে গোলোক ! খুড়িয়ে খুড়িয়ে অতি কষ্টে বাড়ী গিয়ে মঙ্গলা দুটি ভাত সিদ্ধ করে। শুয়ে পড়ে। পা-টা তার একটু একটু করে ফুলতে থাকে সারাদিন, সন্ধ্যার সময় ফুলে ঢোল হয়ে যায়। রাত্রে আরও ফুলবে সন্দেহ থাকে না । পলাশ পাতা পায়ে জড়িয়ে বেঁধে দাওয়ায় শুয়ে মঙ্গলা কাতরায়। জন্বরের ঘোরে তার কেমন নেশার মতো আচ্ছন্ন ভাব এসেছে, মনে তার দেহের জ্বালা মন্ত্রণার অনুভূতি একটু ভোতা হয়েছে। কানাই গেছে অধরের হারানো গরুটা ফিরিয়ে দিতে, বেগুণ ক্ষেতে ঢোকায় দত্তরা সত্যই নাচালের খোয়াড়ে পাঠিয়ে দিয়েছিল—আড়াই ক্রোশ পথ । বলাই গেছে বসন্ত কবিরুজের বাড়ী, মঙ্গলার জন্য ওষুধ ee(A5 । সন্ধ্যার আবছা অন্ধকারে একটা লোক সোজা উঠান পেরিয়ে দাওয়া ঘেঁষে এসে দাড়াতেও মঙ্গলা ভয় পায় না । বিমানো সুরে শুধোয়, কে ? কে গো ?” গোলোক বলে, “আমি গো, তুমাদের দেখতে এলাম।” সাব সকালে জানান দিয়ে দেখতে এলে ? ধরবে যে ?” ‘ধরে ধরবে। ধরা দিতেই তো এইছি ।” ‘ধরা দিতে এয়েছে ? অ !” সবাই এইছি ধরা দিতে। পরামর্শ করে এইছি । গায়ের সবাই