পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৭৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(27 পুলকেশের সিনেমা দেখার নিশা একেবারে হিল না। যতীনেরও তাই। সত্যিকারের কোন ভাল ছবির খবর পেলে, রুচি, রসবোধ আর বিচারশক্তি আছে বলে তারা বিশ্বাস করে এমন কোন বিশ্বাসী লোকের কাছে খবর পেলে হয়তো কখনো নিজেরা শখ করে গিয়ে দেখে আসত ছবিটা । তাছাড়া ইচ্ছে করে কখনোই তারা সিনেমায় যেত না । মাঝে মাঝে তবু যে যেতে হত। তার কারণ ছিল ভিন্ন। সিনেমা যাবার ভীষণ শখ আছে অথচ কিউ না। নিয়ে গেলে যেতে পারে না এমন যার বা যাদের আবদার এড়ানো চলে না, তাকে বা তাদের সঙ্গে নিয়ে যেতে হত । ছায়াছবি যে একেবারে তারা দুবন্ধু উপভোগ করে না তা নয়। U উল্টোভাবে কিছু কিছু উপভোগ করে-দর্শকের যেরকম উপভোগের জন্য ছবিটা মোটেই তৈরী হয়নি। বাংলা আর হিন্দি ছবি হলেই পুলকেশ। আর যতীনের অভিনব উপভোগটা জমে বেশী। উদ্ভট অবাস্তব সৃষ্টিছাড়া একঘেয়ে কাহিনী, চরিত্রগুলির অমানুষিক খাপছাড়া আর সঙ্গতিহীন কথাবার্তা, চালচলন, ভাবভঙ্গি, যেখানে সেখানে গান, উৎকট হাসি কান্না আর ভাড়ামি ইত্যাদি তাদের হাসির অনেক খারাক জোটায়। অন্য সকলের তন্ময়তার মৰ্য্যাদা রাখার জন্য যেখানে সশব্দে হাসা সম্ভব হয় না। সেখানে মুখে রুমাল গুজে হাসিটা চাপা। ዓ¢