পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


可t西夺t可叶可四可分窗 তবু গা তো অরণ্য হয়নি, পাড়া পেরোতে হয়, ঘন বসতি কোনটা, কোনটা ছড়ানো। ভদ্রমানুষেরা তাকায় একটু উদাসীন ভাবে, যারা গুজব শুনেছে তারাও, শুধু ভুরুগুলি তাদের একটু কুচকে যায় সকৌতুক কৌতুহলে। চাষা-ভুষোদের কমবয়সী মেয়ে-বেীরা বেড়ার আড়াল থেকে উকি দেয়, উত্তেজিত ফিসফিসানি কথার আওয়াজ বেশ খানিকটা দূৱ পৰ্য্যন্তই পৌছয়। বয়স্কার প্রকাশ্যে এগিয়ে যায় পথের ধারে, কেউ কেউ মুক্তাকে কথা শোনায় খোচা-দেওয়া ছ্যাকা-লাগানো কথা। কেউ চুপ করে থাকে, কেমন একটা দরদ বোধ করে, বাছার কচি ছেলেটা মরেছে, কোথায় না জানি বাছা কত লাঞ্ছনা কত উৎপীড়ন সয়েছে ভেবে। মধু কামারের বৌ গিরির মা একেবারে সামনে দাড়িয়ে পথ আটকায় তার মস্ত ফোলা-ফাপা শরীর নিয়ে। মধুৰ কামার নিরুদ্দেশ হয়েছে বছরখানেক, কিছুদিন আগে গিরিও উধাও হয়ে গেছে। ‘ক্যান লা মাগি ?” গিরির মা মুক্তাকে শুধোতে থাকে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে কুৎসিত গালাগালি দিয়ে দিয়ে, “ক্যান ফিরেছিস গায়ে, বুকের কি পাটা নিয়ে ? ঝোঁটিয়ে তাড়াব তোকে। দূর-অ দূর-অ ! যা।” হঁপাতে হাঁপাতে সে কথা বলে, যেন হালকায় হলকায় আগুন বেরিয়ে আসে হিংসার বিদ্বেষের। সুরমা স্মিতমুখে মিষ্টি কথায় তাকে থামাতে গিয়ে তার গালের ঝাঝে একপা পিছিয়ে আসে। মনে হয় গিরির মা বুঝি শেষ পৰ্য্যন্ত আঁচড়ে কামড়েই দেবে মুক্তাকে। মুক্ত দাড়িয় থাকে নিস্পন্দ হয়ে। এরা মুখ চাওয়া-চাওয়ি করে |