পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৮০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


নে শা দেয়। সময়টা তাই একরকম তাদের কেটে যায় হাই না তুলে, ঘুম না পেয়ে । মৃন্ময়ী একদিন আশ্চৰ্য্য হয়ে পুলকেশকে বলেছিল, “তুমি কেঁদে ফেল্পে ! দৃশ্যটা খুব করুণ সত্যি, কিন্তু—” ‘কোন দৃশ্যটা ?” “মেয়েটা যেখানে রাতদুপুরে বাড়ী ছেড়ে চলে যাচ্ছে—” “ও দৃশ্যটা করুণ নাকি ? আমার তো ভারি কমিক লাগিছিল। এত কাণ্ডের পর অচেনা বাপের সংগে রাতদুপুরে বাড়ী ছেড়ে চলে যাওয়ার কোন মানে হয় ? আমরা নয় জানি ও লোকটা মেয়েটার বাপ । কিন্তু মেয়েটাও কি তা জানে ? আমি তো ভাবছিলাম মেয়েটা যাতে বাড়ীতেই থাকে তার জন্য প্লট এত ঘোরালো করা হচ্ছে। ” মৃন্ময়ী আহত হয়ে বলে, “ও, তুমি কঁাদো নি ? হাসি फ्रा°छेिहब्ल !' দেহমানে স্বাস্থ্য, জীবনে আনন্দ, অসঙ্গগতির হাস্যকর দিকটাই চোখে পড়ে আগে । তাই, জীবনের সংগে ছবিগুলির সংযোগের অভাব দেখে, কষ্টকল্পনা দেখে, সস্তা ও হাল্কা রোমান্সের গেজলা রস থই থই৷ করতে দেখে, এমন কি মানুষের মনে ছবিগুলির প্রভাব যে কিছু কিছু ক্ষতিকর তা ভেবেও, পুলকেশরাও বিদ্বেশমূলক সমালোচনার বাবা অনুভব করে না । এই সব ছবি দেখার জন্য যারা পাগল তাদের প্রতি অবজ্ঞার ভাবও পোষণ করে না । কেবল এই ভেবে আশ্চৰ্য্য হয়ে যায় যে ছেলেভুলানো এ জিনিষ দিয়ে বয়স্ক মানুষ নিজেকে ভোলায় কী করে ! নিজেদের ভোলাবার এত জিনিষ ANe