পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৮৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বে ড়ো তারপর সালিশরা, যাদের প্রধান ছিলেন সদরের সেরেস্তাদারের বাবা প্ৰাণধন চক্ৰবৰ্ত্তী জোতির্বিবদ্যাভূষণ, ব্যবস্থা দিয়েছিলেন ভাগের বেড়ার দু’পাশে সদর বেড়া দু'হাত ক’রে কেটে দুই অংশের ঢুকবার-বেরোবার পথ করা হোক, আর পুরনো পর্দা-বেড়া তুলে এনে স্থাপন করা হোক এই বিভক্ত পথের সামনে ; কারণ ও-বেড়াটাও দু’ভায়ের বাপের সম্পত্তি। অতএব দু’জনের ওতে সমান অধিকার। জনাৰ্দন আপত্তি ক’রে বলেছিল আড়াল-করা বেড়া সরালে সদর বেড়ার কোণের পুরনো পথের ফাঁকে রাস্তার লোক যে তার বাড়ীর বৌ-ঝিদের দেখতে পাবে, তার কী হবে ? সে এমন কী অপরাধ ক’রেছে যে, গাটের পয়সা খরচ ক’রে তাকে বন্ধ করতে হবে বেড়ার ফাক! রীতিমত সমস্যার কথা। সালিশরা যখন মীমাংসা খুজতে মাথা ঘামাচ্ছেন, গোবৰ্দ্ধন উদার ও উদাসভাবে বলেছিল, তিনহাত বেড়ার ফাঁকি-বন্ধ করার পয়সা খরচ করতে যদি জনাৰ্দনের আপত্তি থাকে, সে এদিকের অংশ নিক। সদর বেড়ার ফাকের অসুবিধা ভোগ করতে গোবৰ্দ্ধন রাজী আছে। অনেক তর্ক-বিতর্কের পর সালিশরা হঠাৎ সমস্যাটার চমৎকার মীমাংসা আবিষ্কার করেন। কেন, দু’পাশে দু’হাত করে পথ করতে সদর বেড়ার মাঝখানে চারহাত অংশ তো কাটতেই হবে, তাই দিয়ে অনায়াসে বন্ধ করা যাবে জনাৰ্দনের অংশের সদর বেড়ার পুরনো ফাক । এমনি দুৰ্য্যোধনী জেদি হিংসার চুলচেরা ভাগাভাগির প্রতীক হ’য়ে ভাগের বেড়াটি দাড়িয়ে আছে সাত বছর। অনন্ত হাতীর শ্রাদ্ধের দশ দিন পরে বেড়াটা উঠেছিল। আদালত কুরুক্ষেত্রে তারপর যত