পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৮৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


(द ट्रों গোলমাল এখনো চলে, বিদ্বেষ এখনো বজায় আছে পুরো মাত্রায়, তবে গোড়ার দিকের মতো খুটিনাটি তুচ্ছ ব্যাপার নিয়ে অহরহ হাঙ্গামা চলে না, গায়ে পড়ে সহজে কেউ ঝগড়া বাধায় না। টিলটি মারলে যে পাটকেলটি খেতে হবে দু’পাশের মানুষগুলি সেটা হাড়ে হাড়ে টের পেয়ে সংযম অভ্যাস করতে বাধ্য হ’য়েছে। আক্রমণাত্মক হিংসা কমে এসে এখন দাড়িয়েছে। ঘূণা, বিদ্বেষ, অবজ্ঞা, উপেক্ষা, অবহেলাত্মক মনোভারে । খোচাবার ও গায়ের বাল ঝাড়বার প্রক্রিয়াও ক্রমে ক্ৰমে বেশ কৌশলময় ও মাৰ্জিত হ’য়ে উঠেছে। এ-পাশের ছেলেমানুষ কানাই মাঝের বেড়ার মাহাত্ম্য ভুলে ও-পাশে সমবয়সী বলাইয়ের সঙ্গে খেলতে গেলে, শত্রুপক্ষের ছেলেকে আয়ত্তে পেয়েও ও-পাশের কেউ তাকে ধরে পিটিয়ে দেয় না, আচ্ছা ক’রে মার দেওয়া হয় বলাইকে। এ-পাশ থেকে হাঁকু ওঠে, কানাই ! কানাই এলে তাকে চড়াচাপড় মেরে উচ্চকণ্ঠে প্রশ্ন করা হয়, ও-বাড়ী মরতে গেছিলি কেনরে, বেহায়া পাজী বজাত ? ও-পাশ থেকে জবাব আসে বলাইএর প্রতি আরও জোর গলার শাসানোতে, ফের। যদি ও-বাড়ীর কারো সাথে তুই খেলিস হারামজাদা নচ্ছার দু’পাশেই ছেলেমেয়ে আছে, হাজার বলে তাদের বোঝানও যায় না যে, বেড়ার ও-পাশ যেতে নেই। ছেলেমেয়েরা তাই নিরাপদ থাকে। তবে কুকুর বেড়ালের রেহাই নেই। এপাশের বেড়াল ও-পাশে হাড়ি খেতে গেলে তার রক্ষা থাকে না । ফ্ল্যােকর ছেলে চন্দ্ৰকুমারের বোঁ রাণীবালার পোষা বিড়ালটা মেউ r -