পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৯০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


四门西夺计可*孤鸣矿分颈 মেউ ক’রে বেড়াচ্ছে খিদেয় কাতর হয়ে, গোবৰ্দ্ধন একদিন কোথা থেকে যোগাড় ক’রে নিয়ে এল আধাসেরি একটা রুইমাছ! মাছ দেখে খুসী হ’য়ে হাসি ফুটল সবার মুখে, দু’মুঠো চাল সেদিন বেশী নেওয়া হল এই উপলক্ষে। গোবৰ্দ্ধনের ছেলে সুৰ্য্যকান্তের বেী লক্ষ্মীরাণী আঁশ বঁটি পেতে কুটতে বসল মাছ। । মাছ কাটা শেষ হ’য়েছে, কাছে দাড়িয়ে সূৰ্য্যকান্ত বৌয়ের দিকে গোড়ায় যেমন তাকাত প্ৰায় সেই রকম সপ্ৰেম দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে মাছের দিকে, কোথা থেকে রাণীবালার আদুরে বিড়াল এসে এক টুকরো মাছ মুখে তুলে নিল। মাছকাটা বঁটিটা তুলেই সূৰ্য্যকান্ত বসিয়ে দিল এক কোপ। রাণীবালার আদুরে বিড়াল একটা আওয়াজ পৰ্য্যন্ত না ক’রে মরে গেল। মাছের টুকরোটা মুখ থেকে খসে পড়ায় লক্ষ্মীরাণী সেটা তুলে রাখল। চুপড়িতে। পথের ধার থেকে মরা বিড়ালটা কুড়িয়ে নিয়ে গেল চণ্ডী বসাক । চাল ছিলনা। কিন্তু ঘরে তার একটু নুন আর একটু হলুদ-লঙ্কা ছিল। ঘুরে ঘুরে হত্যা দিয়ে দুটি খুদকুড়ো চণ্ডী যোগাড় ক’রে নিয়ে এল। ঝাল ঝাল বিড়ালের মাংস দিয়ে সে-দিন সে দু’বেলা ভোজ খেল সপরিবারে । হত্যাকাণ্ডের খবরটা রাণীবালা পেল পাচুর মর কাছে। ওবাড়ীতে পাঁচুর মা দু'টি চালের জন্য গিয়েছিল, অনেকক্ষণ ধন্ন দিয়ে থেকেও শেষ পর্যন্ত পায়নি। নিজের চোখে সে ঘটনাটা দেখেছে আগাগোড়া । এ কি কাণ্ড মা, ছেলেমেয়ে নিয়ে ঘর করিস, হিংসে করে भा-पश्लेन्न दाश्नाहक भान्ननि ७यकालबैद्ध দিন, এত শক্ৰতা ? 1yb