পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৯২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আ জা কা লা প র শু। র গা টুল জমিটা বেচবারও উপায় নেই। কাল দু’জনে পরামর্শ ক’রে ঠিক ক’রেছে প্ৰাণধন চক্ৰবৰ্ত্তাঁকে জমিটা বেচে দেবে। এখন কোন কারণে গোবৰ্দ্ধন বিগড়ে গিয়ে বেঁকে বসলে মুস্কিল হবে। “ঝগড়াঝাটি কোরো না খবৰ্দার, ক'দিন মুখ বুজে থাকে।” বিড়াল মারার সময় গোবৰ্দ্ধন উপস্থিত ছিল না। ফিরে এসে ব্যাপার শুনে সে-ও অসন্তুষ্ট হয়ে সূৰ্য্যকে বলে, “একটু কাণ্ডজ্ঞান নেই তোদের ? এমনি করে ফ্যাকড়া বাধাও, ব্যাস, জমি বেচাও খতম । খেয়ো তখন কচুপোড়া সিদ্ধ করে। খবৰ্দার, কেউ ঝগড়া করবে না। ওদের সাথে ! মুখ বুজে থাকো ক’দিন ।” সাত বছরের শক্ৰতা স্বার্থের খাতিরে একদিনে হঠাৎ স্থগিত হয়ে গেল। দু’পারেই কটু কথা যদি বা কিছু বলা হল, হল চুপি চুপি, চাপা গলায়, নিজেদের মধ্যে। এপার কথা বলল না বটে ওপারের সঙ্গে সোজাসুজি কিন্তু ওপারকে শোনাবার জন্যই এপার চোঁচালো, “ও কানাই, ওদের বেগুন ক্ষেতে গরু ঢুকেছেরে!” ওপরও চেঁচালো এপারকে শুনিয়ে, “ও বলাই, ওদের পুটু পুকুরপাড়ে একলা গেছে-রে!” আমতলায় কানাই-বলাইকে খেলতে দেখে কোন পার কিছু বলল না। এপারের ছেলে ওপারে যাওয়ায় ওপারের ছেলে চড় খেল না। লক্ষ্মীরাণীর বিড়াল প্ৰায় সারাটা দুপুর কুণ্ডলী পাকিয়ে শুয়ে রইল ওপারের দাওয়ার কোণে জড়ো করা ছেড়া চটে। হাতটা মনটা বার বার নিসপিস করে উঠলেও রাণীবালা পৰ্য্যন্ত তাকে কিছু বললে না। ওপারের পুই গাছের সতেজ ডগাটি লক লক ক’রে বাতাসে দুলতে লাগলো এপারের এলাকায়! llwyr