পাতা:আজ কাল পরশুর গল্প.pdf/৯৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


可可叶可 পাকাপোক্ত পুরুষের চেয়ে বেশী কিছু সেটা প্ৰমাণ করে তিনজনে হাসে । মানুষ বুড়ো হয়ে মরে গিয়ে যত বুড়ো হয় গজেন তার চেয়ে পাকা । হাসাহাসির পর সে বলে, “তা কথা বেঠিক না । মাগী ছাড়া মাগীরা ভরসা পায় না। চপলার জন্যে এ মুশকিল।” চপলার খারাপ রোগ হয়েছে, সর্বাঙ্গে ক্ষত। দামী কাপড় পরে হাসিমুখে মে আর গায়ে গায়ে ঘুরে কটিবাজারে কাজ করতে যাবার জন্য মেয়েদের ভরসা দিতে পারে না । কথাটা ভাববার মতো। ভাবতে ভাবতে গজেন বাড়ী যায়। বাড়ী পৌছেই ভাত বাড়বার হুকুম দেয়, এখুনি তাকে কটিবাজার রওনা হতে হবে । রোজগেরে ছেলেকে বাড়ীর মেয়েরাই সাগ্রহে ভাত বেড়ে দিত কিন্তু তারা কেউ নড়বার চড়বার আগেই ওবাড়ীর হাবো যেন উড়তে উড়তে পিড়ি পেতে তার ভাত বেড়ে এনে দেয় ! গজেনের নতুন মা, মাসী আর পিসীরা অসন্তুষ্ট হয়ে আড়চোখে তাকায়। ছুড়ি যে গজেনেরি দেওয়া নতুন রঙীন শাড়ী পরে এ বাড়ীতে এসে ফর ফর করে উড়ছে, এতে তাদের চোখ জ্বালা করে আরও বেশী । ‘ফিরবে। কবে ? সভয় ভক্তিতে হাবো জিজ্ঞেস করে। গলা তার প্রায় বুজে আসে আবেগে । ‘পরশু, তারাশু ফিরব ।” হাবোকে মন্দ দেখাচ্ছে না রঙীন কাপড়ে, গজেন ভাবে। একটু আশ্চৰ্য্য হয়েই সে মেয়েটার সারা গায়ে একবার ভাল করে চোখ বুলিয়ে নেয়—মেয়ে খুজে বেড়াচ্ছে সে এদিক ওদিক আর তার একান্ত অনুগত এই যে একটা মেয়ে আছে এর কথা তার খেয়ালও হয় নি। କର (୪