পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৫৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৬শে মে এই নিয়োগ হইল। সুতরাং বহুদিন স্কলারসিপ ভোগ করা, পিতৃদেবের ভাগো হয় নাই । সেই ২৬শে মে ১৮৪৬ সাল হইতে, ১৮৮২ সালের ৩১শে ডিসেম্বর পৰ্যন্ত ৩৬ বৎসর ৭ মাসের কিছু অধিক কাল সমানে একটানে তিনি সরকারী চাকরী করেন। ৭৫ টাকায় আরম্ভ করেন ; শেষের তিন বৎসর হাজার টাকা পাইয়া, চাকরী শেষ করেন । কোথায় কতদিন চাকরী করেন এবং কোন সময় হইতে কত কাল কিরূপ বেতন পান এবং কখন পদোন্নতি এবং বেতন বৃদ্ধি হয়, তাহার একটি ফৰ্দ আমরা এই স্থানেই যোজনা করিয়া দিলাম। বঙ্গসাহিত্য চৰ্চার কথা পরে ক্ৰমে বলিব । निशांश अनूठ । sv8७, २७ cभ । নদীয়ার কালেক্টরীর সেরেস্তাদার-বেতন ৭৫২ 勒 Cys to কৃষ্ণনগর কলেজের শিক্ষক 8 জজ আদালতের হেডক্লার্ক , ১ ০০৩ निशांश cभव । २२ खून, Sb 8० । অর্থাৎ তিন বৎসর আঠার দিন পিতৃদেব কৃষ্ণনগরে থাকেন ও আমলাগিরি ও শিক্ষকতা করেন । এই কালের মধ্যে একদিনও বিরাম ছিল না । এক নাগাড় চাকরী ছিল। এই সময়ের অর্থাৎ কৃষ্ণনগরে পিতা যখন ছিলেন তখনকার একটি হাস্যকর ঘটনার কথা। এইস্থলেই লিপিবদ্ধ করিলাম। কৃষ্ণনগরে জনকয়েক ভদ্রলোক জুটিয়া আপোষে সৰ্ত্তি খেলিতেছিলেন, কতকগুলি কাপড় চোপড় ‘মাল’ ছিল । দুইজন দুইটি হাড়ি হইতে ‘টিকিট' তুলিতেছিলেন। কাহারও কাহারও নাম ডাকার পর মাল উঠিতে ছিল। কিছুক্ষণ পরে একটি হাড়ি হইতে টিকিট একখানি তুলিয়া একজন পড়িলেন ‘গঙ্গাচরণ সরকার” অন্য হাড়ী হইতে আর একজন শাদা কাগজের মোড়া খুলিয়া বলিলেন ‘ফৰ্শ” । পিতা, মহা আনন্দে হাস্য করিতে লাগিলেন । কারণ জিজ্ঞাসা করিলে বলিলেন “আমার বাপ মায় অামায় আদর করিয়াও কখন “ফর্শা’ বলেন নাই। আমি এমন সভামধ্যে ‘ফর্শা’ সাবাস্ত হইলাম, ইহা অপেক্ষা আনন্দ আর কি হইতে পারে ?” পিতৃদেব কৃষ্ণনগরে গেলে পর, ১৮৪৬ সালে ২৭শে অগ্রহায়ণ চুচুড়ার বাড়ীতে আমার জন্ম হয়। আমার জন্মের সময় বা অন্নপ্রাশনের সময় পিতৃদেব বাড়ী আসিতে পারেন নাই। ছুটি পান নাই। এই তিন বৎসরের মধ্যে আইনের শেষ পরীক্ষা দিয়া ছিলেন । শেষ পরীক্ষায় পাসের ফল, সদর দেওয়ানির ওকালতী বা মুনসেফী। ১২ই জুন, ১৮৪৯ কৃষ্ণনগরের জজ আদালতের হেডক্লার্কের কৰ্ম্ম শেষ হুইল।। ১৩ই জুন ১৮৪৯ অর্থাৎ পর দিন হইতেই, মুনসেন্ধী চাকরী আরম্ভ W