পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৮১

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কেহ শকাব্দ, কেহ সাল, কেহ খৃষ্টাব্দ দিতেন, আমি সবকটাই দিয়াছি। আর গ্রন্থের পরিচয় সব্বশেষে দিয়াছি। তবে “এই গ্ৰন্থ" শব্দের কারক কিরূপে মিটাল, তাহা বুঝা যায় না। দ্বিতীয় পৃষ্ঠায় এই গোল আরও স্পষ্টীকৃত হইয়াছে, সেই ভূমিকা পৃষ্ঠায় অবিকল প্রতিরূপ এই স্থানে সন্নিবেশিত করিলাম । এখানে দেখিবেন কর্তৃবাচ্যে আরম্ভ হইয়া ভাববাচ্যে বাক্য শেষ হইয়াছে । আমার নামের পূবে অধীন শব্দটীও লক্ষ্যের বিষয় । অক্ষয় শব্দের মোড়া ‘অ’টি লক্ষোর বিষয়। মোড়া ‘অ’ দেবনাগর ‘অ’ তখন একটু আধটু চলিত । ‘ক্ষ’ পরে আছে, ‘ক্ষ’ টি দেবনাগর করিয়া দিলে, লেখাটি খুব ঘোরাল-ফেরাল হয়, এই জন্য রামচন্দ্ৰ দত্ত আমাকে ঐ রূপ লিখিতে শিক্ষা দিয়াছিলেন । শব্দসাগরের শকুন্তলা ভাগের যৎকিঞ্চিৎ পরিচয় দিব । নান্দী নাটকের প্রথমে আশীৰ্ব্ববাদ-সুচক द2] । সূত্রধর প্ৰধান নট । 0a9थJ 环tg可项目 আৰ্য্যা qeà ă || আৰ্য্যপুত্ৰ g d1 Bb স্বামী । অভিনয় g ভাব প্ৰকাশ করা । 62Rf3 R আরম্ভ, ভূমিকা । অপবৰ্য্য fofo3 ! किड्छक প্ৰথমে পূৰ্ব্ববর্ণ কথার স্মরণ করিয়া দিয়া যে বিষয়ের অভিনয় হইবে তাহাবু ভাবি কথার অংশকে যাহা সূচনা করিয়া দেয় । ইত্যাদি।- } অধিক নমুনা দেবার প্রয়োজন নাই । শুনিয়াছি নাকি, হাতের লেখায় মানব চরিত্রের পরিচয় পাওয়া যায়। মানব চরিত্রে বৈচিত্ৰ আছে বলিয়াই, হাতের লেখায় বৈচিত্ৰ আছে। যে ছোট ছোট গুজিবুজি লেখে, তাহার চিত্তও নাকি সঙ্কুচিত এবং জটিলতাময়। যে বড় বড় করিয়া দীর্ঘচ্ছন্দে গোটা গোটা লেখে, জোৱাল টানে কলম টানে, তাহার নাকি উদার হৃদয় এবং বিশাল সাহস। নেপোলিয়ন খুব তেজ কলমে গোটা গোটা অক্ষরে নাম সহি করিতেন। ওয়াটারলুতে বিষম বিপৰ্যন্ত হইয়া, তাহার দস্তখতের টান নাকি নিস্তেজ হইয়াছিল । শেবের এন এর শেষ টান নাকি বুলিয়া পড়িয়াছিল। জানিনা, এ সকল 够哈·