পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/১৯৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ও মহররমের সময় মিলন হইতে ।। ৬১ সাল হইতে হয় শীতের ছুটিতে, না হয়। গ্রীষ্মের ছুটিতে, আমি পিতার কাছে যাইতাম ও থাকিতাম । এইরূপে এক বৎসর আমি শীতের ছুটি েএ জাহানাবাদে, আর এক বৎসর গ্রীষ্মের ছুটিতে, আবার পর বৎসর শীতের ছুটিতে কলিকাতায়, তাহার পর বৎসর ৬৩ সালে শীতের ছুটিতে জঙ্গি পুরে, ৬৫ সালে গ্রীষ্মের ছুটিতে আরায়, ৬৬ সালে মুর্শিদাবাদে পিতার নিকট গিয়াছিলাম। ৬৮ সালে আমার শিক্ষা সাঙ্গ হইল। আমি পিতার নিকট বহরমপুরে ওকালতি করিতে গেলাম। ১৮৭৩ সালে ২৯শে মার্চ পৰ্যন্ত পিতা বহরমপুরে সদর মুন্সেফ থাকেন, অথচ প্ৰায়ই এ টিনী প্ৰধান সদর আমিনীতে, অথবা একটনী ছোট আদালতের জজিয়তিতে, ঢাকা, কটক, ভাগলপুর, চব্বিশ-পরগণা ( আলিপুর ) এবং যশোহর এই সকল স্থানে D BK DDD DD DDE DBSDBD DDDD SSBD DBBSBLBB BBD LK DDB BBB BDBS পিতাপুত্র, আমরা একত্র ছিলাম। তখন বহরমপুরে বাঙ্গালা সাহিত্য-চৰ্চার বড় সুবিধা ছিল। ডাক্তার রামদাস সেনের বাড়ী সেইখানে । তাহার লাইব্রেরীতে বিস্তর বাঙ্গালা ও সংস্কৃত পুস্তক ছিল । আর ভারতবর্ষের সংস্থষ্ট ইংরাজি পুস্তকও বিস্তর ছিল । বাঙ্গালা-ভাষা ও সাহিত্যের ‘ইতিহাস লেখক’ পণ্ডিত রামগতি ন্যায়রত্ন, বহরমপুর কলেলের সংস্কৃত অধ্যাপক ছিলেন । পুর্বে বলিয়াছি, পিতৃদেব ঘুরিয়া ফিরিয়া বহরমপুরেই আসিয়া থাকিতেন। বাঙ্গালার ইতিহাস লেখক রাজকৃষ্ণ মুখোপাধ্যায়,-“এই সময়ে বহরমপুরেই ওকালতি করিতেন । ব্ৰায় দীনবন্ধু মিত্ৰবাহাদুর এই সময়ে এই বিভাগের পোষ্টাল ইনস্পেক্টর ছিলেন। প্ৰসিদ্ধ ব্যাকরণকার লোহারাম শিরোরাত্ন মহাশয় বহরমপুর নৰ্ম্মাল স্কুলের অধ্যক্ষ ছিলেন আর আমি যাবার কিছুকাল পরেই,-পিণ্ডাস্তি পিণ্ড শেষ স্বয়ং বঙ্কিমচন্দ্র অন্যতার ডেপুটি ম্যাজিষ্ট্রেট হইয়া গেলেন । সুতরাং এ সময়ে বহরমপুরে বাঙ্গালা চৰ্চার মহেন্দ্ৰযোগ বলিতে হইবে । আমি মহেন্দ্ৰক্ষণের সুযোগ অবহেলা করি নাই । আমি বহরমপুরে এরূপে যাইবার কিছু পূর্বেই, অর্থাৎ ওকালতি করিতে যাইবার কিছু পূর্বেই পঠদ্দশায় একবার এক মাস মাত্র বহরমপুরে গিয়াছিলাম। সে কথা ধরিতেছি না। আমি বহরমপুরে প্রতিষ্ঠিত হইবার কিছু পূর্বেই জজ কাছারির সেরেস্তাদার মহাশয়ের ঘরে একটি নবরত্ন সভা প্ৰতিষ্ঠিত ছিল । সভ্যেরা একটু সকাল সকাল গিয়া সভা বসাইতেন, জজ সাহেব আসিলেই, সভা-ভঙ্গ হইত। সাধারণত দিনে অৰ্দ্ধঘণ্টা জীবন । কোন কোন দিন কাজের ভিড় থাকিলে, সে জীবনটুকুও হইত না । এই সভায় বিক্রমাদিত্য ছিলেন-জজ সাহেবের সেবেস্তাদার বৈকুণ্ঠনাথ নাগ । সে স্বয়টি উদাহারই ঘর। বহরমপুরের প্রসিদ্ধ উকীল শুগামাচরণ ভট্ট -বেতাল ভট্ট ) বাৰু বৈকুণ্ঠ নাথ সেন ( জাতিতে বৈস্তু সুতরাং )-ধন্বন্তরি । বহরমপুরের সরকারী উকীল দীননাথ &ể Q