পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৩৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


*যুধিষ্টিরের স্বৰ্গারোহণ” প্ৰকাশিত হয়। ইহার বহু পরে তৎকালের দেওঘর ইংরাজী বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শ্ৰীষাগীন্দ্রনাথ বস্তু “মহাপ্ৰস্থান” নাম দিয়া স্কুলপাঠ্য “কবিতা প্ৰসঙ্গ” গ্রন্থের প্রথমেই একটি কবিতা প্ৰকাশিত করেন ; সেটি অতি সুন্দর ; অনেক স্থলে পিতার স্বৰ্গারোহণ হইতে সুন্দর। তবে যোগীনবাবু বলিতেছেন, যুধিষ্ঠির “শোকাচ্ছায়ে” বিমলিন, নৱপতি আভাহীন, মেঘাবৃত যেন দিবাকর, অন্তরে চিন্তার ভার, কষ্টের নাহিক পাৱ ধীরে ধীৰেন্ম হন অগ্রসর । আর পিতা বলিতেছেন প্ৰফুল্ল মুখারাবিন্দ হৃদয়-দৰ্পণ । বিমল আভায় করে সাভে প্ৰদৰ্শন কুচিন্তা, কুটিল দ্বেষ, শোক-তাপ পাপলেশ, পারে নাই করিবারে কভু অধিকার।” সীতারত পুণ্য-পুতি অন্তর তাহার। এই দুই চিত্রের বিভিন্নতা যেন কেমন কেমন লাগে। আর পিতার যুধিষ্ঠিীর কুকুৰ সম্বন্ধে বলিতেছেন,- "নারিব কদাচি এই আশ্রিত ত্যজিতে।” যোগীনবাবুর যুধিষ্ঠির বলিতেছেন,- “প্ৰতি জীবে ভগবান করিছেন অধিষ্ঠান শ্বান বলি ত্যজিৰ কেমনে ?” সমালোচনা আমার সেকালে রোগ বলিয়া এই কথাগুলা বাহির হইয়া পড়িল । নতুবা যোগীন বাবুর মহাপ্ৰস্থান কবিতা সুন্দর, অতি সুন্দর। সে সৌন্দর্ঘ্যে হস্তাপৰ করিতে অতি নৃশংসও পারে না । পিতা স্বৰ্পারোহণের বহু পরে মহাপ্ৰস্থান লেখা, DBDS gB BBDDS DDD BBBB BB SBlDBBDD DDDD LDDDDDS BBB BB করিবার বিষয় বৈকি। সমগ্র স্বৰ্গারোহণ উদ্ধৃত করিয়া দিলাম । যুধিষ্ঠিরের স্বৰ্গারোহণ দুঃসহ দীধিতি দীপ্ত দিবা গীত-প্ৰায় বৈকালিক মাথুরিতে মহী শোভা পায় ; ফুটিছে কুসুম-চয় সুমৃদু সমীর বয়,