পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৫৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বাল বৃন্ধ নয়। নারী সবে পুলকিত, বিশ্ব-ব্যাপী মহোৎসবে সকলে মিলিত । 峰 德 春 ऊर्थं-न क्ष-न क८ कठेन । কত জন করে কত ভক্ষ্য বিতরণ | যেমন বিবিধ দান, সেই রূপ নৃতা গান, তুষিতেছে মোহিতেছে মানস সবার } মহাদিন মহোৎসব আনন্দ অপার । 柳 挚 এস এস বঙ্গবাসী মিলিয়া সকলে, জগত জননী পূজি, পূজা কুতুহলে । দাঁড়ায়ে মায়ের পাশে, গললগ্নী কৃত বাসে, পুষ্পাঞ্জলি পাদপদ্মে, দেহ অবিলম্বে, উচ্চৈঃস্বরে বলা ‘জয় জয় জগদম্বো’ । আমাদের বৈষ্ণবী পূজা, বলিদান হয় না ; আখি কুমড়াও নয় । কিন্তু প্ৰতিদিন পুজার পর- আমরা ঢাকের বাদ্য থামাইয়া-“জয় জগদম্বে, জয় জগদম্বে, জগদীঘে-মা আ” বলিয়া সকলে শত কণ্ঠে মহাধ্বনি করিয়া উঠিত।াম , আমরা থামিলেই, ঢাকে বলিদানের বাজনা বাজিয়া উঠিত ; ছেলেরা সকলে নৃত্য কারিত ; আমার কোন একটি ছেলেকে কোলে করিয়া পিতাও কখন কখন নৃত্য করিতে না ; পায়ের নৃত্য নহে,-ছেলে নাচাইতে নাচাইতে, বুকের নৃত: , বাহুর নৃত্য -পা ছাড়া আর সর্বশরীরের নৃত্য । পচানব্বই সালের পূজার মহোৎসবিহ-নাচা কুঁদ আমাদের, হুইয়া গেল।’ আমি কলিকাতায় গেলাম। প্ৰায় দুই সপ্তাহ আছি । ইংরাজিতে কয় পংক্তি লেখা পিতার একখানি কার্ড পাইলাম। “e/শ্যামাপূজার সময় তুমি বাড়ী আসিবে, এখানে বড় ওলাউঠা হইতেছে।” তাহার হৃদয়ে ওলাউঠার ভাব-গতি জানিতাম । আমি বাড়ী আসিলাম । আসিয়া দেখি পিতার মুখ আধখানা হইয়াছে। আমাদের কদমতলা পল্পী ও কেঁকশিয়ালী ওলাউঠায় উৎসল্প যাইতে বসিয়াছে । আমাদের প্রতিবেশিনী একটি দুঃখিনী মুমূৰ্য অবস্থায় । সেবা পায় নাই, চিকিৎসা হয় নাই। নিজে তাহার ঘৱষ্কার পরিষ্কার করিয়া দিয়া, চিকিৎসার ব্যবস্থা করিয়া দিলাম । সেই দিনই বুঝা

  • ) \} (t