পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/২৫৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


SiBDBD SLHHDBD BuuB DB DDSDBD DuDDuS D DBDDBS DBtBBBiB uDuDBB করাইয়া নব যুগ্ন বস্ত্র পরাইয়া, কপালে গঙ্গা স্মৃত্তিকার ত্রিপুণ্ড, দিয়া চিতায় উঠান হইয়াছে, আমি দক্ষিণ হন্তে বট জটা ধরিয়া, দূরে দাড়াইয়া সেই নৃশংস শাস্ত্রের কথা ভাবিতেছি ; মনে করিতেছি, আজি আমার যদি এই সকল অবশ্য কৰ্ত্তব্য না থাকিত, তাহা হাহলে আমি নিশ্চয়ই ভুশায়ী হইয়া পড়িয়া থাকিতাম। উঠিতেও পারিতাম না, কেহ উঠাইতেও পারিত না । আজি শাস্ত্ৰইত আমাকে উঠাইয়াছে, দাড় করাইয়া রাখিয়াছে, কৰ্ত্তব্যে বাস্ত করিতেছে ; তবে শাস্ত্র নৃশংস কেন ? শাস্ত্ৰ মানিলে,-শান্ত্রি মহদুপকারী { সমস্ত ঔৰ্দ্ধদৈহিক কাৰ্য্য হইয়া গেল। বাড়ী আসিলাম। মাতা সালঙ্কাৱা গুৰ হইয়া বসিয়া আছেন। কেহ তাহার কাছে যাইতে পারে নাই। তঁহায় অলঙ্কারগুলি স্বহস্তে খুলিতে লাগিলাম। জিজ্ঞাসা করিলেন ‘কি হইয়াছে’ ? উত্তর “বাবাকে দাহ করিয়া আসিলাম, আমার গলায় এই কাচা ।” তাহার পর, তাহাকে স্নান করাইলাম, যথা যোগ্য বস্ত্র পরাইলাম ; কিন্তু ক্ৰমেই আমার চক্ষে সমস্ত কুক্কটিকাময় বলিয়া বোধ হইতে লাগিল। কুয়াসা অথচ ফাকা কুয়াসা-সমস্তই যেন ফাকা আছে। অথচ নাই । আমার কোন চিন্তাও নাই, ভাবনাও নাই । যেন আমি বলিয়াই একটা বোধ নাই । পত্নী ছেলে পিলেদের লইয়া ঘরের মধ্যে থাকেন, আমি একাকী বারান্দায় কম্বল-শয্যায় শয়ন করি । দ্বিতীয় রাত্রি এক ঘুমের পর চিন্তা আসিল । ভাবিতে লাগিলাম ‘দেখা DgSBDD BDDDB DBB B DDDB DBDEE DDDB BDDSDBD DKLS LBO BBD KBDB পিতা বৰ্ত্তমান আছেন।” দুই ঘণ্টা মনে মনে খতিয়ান করার পর দেখিলাম, একজনের মাত্র আছেন—অন্নদা মুখোপাধ্যায়ের। ক্ষণেক চিন্তাহীন অবস্থায় আবার রহিলামআপনা। আপনি কখন শ্বাস বন্ধ হইয়াছিল, চিন্তাত্র সঙ্গে দীর্ঘনিশ্বাস পড়িল । ভাবিলাম তবে আমি 'ভাগ্যহীন’ কি সে ? সেই একরূপ মুখ-পোড়ার সান্থনা পাইলাম । চতুর্থ রান্ত্রিতে পত্ৰ পড়িবার প্রয়োজন হইল। দেখি এয চোখে ভাল দেখিতে পাই নাই । এচােখ ওচোখ বুঝিয়া পরীক্ষা করিয়া বুঝিলাম, বাম-চক্ষু ক্ষীণ দৃষ্টি হইয়াছে। ক্রমে বুঝিলাম বাম হন্তের ও বাম পদেরও কম-জোর। সেই হইতে "পক্ষাঘাত" আমাকে পাড়িবার চেষ্টা কবিয়াছে। এই ষোল বৎসরে আমি ব্যবস্থা লইয়া । ৪ বার চতুৰ্থখ খাইয়াছি। মধ্যে মধ্যে তালপাতার আগুণের সেকের সঙ্গে, কুজপ্রসারিণী তৈল ব্যবহার করিয়া থাকি । পিতার আকস্মিক মৃত্যুতে সৰ্ব্বত্রই হা হতাশের ধ্বনি, ‘এমন লোকও হঠাৎ মারা যায় গা ।” যেন তিনি দুই চারি মাস ভুগিয়া লীলা সম্বরণ করিলে, তাহার বা সমাজের কিছু না কিছু লাভ ছিল। পিতা চুচুড়া হিতৈষিণী” সভার সভাপতি ছিলেন। y