পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৩৭৫

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


খৃষ্ট আকর্ষণ করে ও সর্বত্ৰ প্ৰশংসিত হয়। তদনুসারে আমি একজন উদীয়মান কবিরূপে পরিচিত হইয়াছিলাম। দ্বিতীয়ত, আমার দীক্ষার সময় হইতে আমার মাতুল উন্নতিশীল ব্ৰাহ্মী দলকে “কৈশব দল’ নাম দিয়া সোমপ্রকাশে তাহদের প্রতি গোলাগুলি বর্ষণ আরম্ভ করেন, তাহাতেও আমার নামটা সাধারণের মুখে উঠে। যে কারণেই হউক, আমি তখন হইতে লোকচক্ষুর গোচর হইয়া একজন মস্ত ব্ৰাহ্ম হইয়া দাড়াই। ইহাতে কিছুদিন আমার বিশেষ অনিষ্ট হইয়াছিল। আমার পূর্বকার ব্যাকুলতা অনেক পরিমাণে হ্রাস হইয়া আমি কিছু অসাবধান হইয়া পড়ি, যে সকল দুর্বলতা ও কদভ্যাস অনেক চেষ্টাতে দমনে রাখিয়াছিলাম, তোহা আবার মাথা जi१iईशा ऐठ0% । কিন্তু আমার প্রতি ঈশ্বরের বিশেষ দয়া বলিতে হইবে যে, আমি অচিরকালের মধ্যে আত্মদৃষ্টির সাহায্যে নিজের অবস্থা লক্ষ্য করিতে পারি ও তাহার সংশোধনে প্ৰবৃত্ত হই । দীক্ষার সময় ও এই সময় কয়েকটি কবিতাতে নিজের মনোর ভাব ব্যক্তি করিয়াছিলাম। যদি দুৱ স্মরণ হয়, সেগুলি ধৰ্মতত্ত্ব পত্রিকাতে প্ৰকাশ হইয়াছিল, অনুসন্ধান করিলে উক্ত পত্রিকার ফাইলে পাওয়া যাইতে পারে। কেবলমাত্র দুই চাবি পংক্তি স্মৃতিতে আছে। পিতৃগৃহ হইতে তাড়িত হইয়া লিখিয়াছিলাম ভাসায়ে জীবন তৈরী বিপত্তির সাগরে, যাই দেব ! দেখি দেখ রক্ষা করি আমারে । মোর পক্ষ ছিল যারা, বিপক্ষ হইল তারা, ঘেরিল সকল দিক অপবাদ-আঁধারে, বহিল প্ৰলয়-ঝড় মস্তকের উপরে । অগ্ৰে যে আধ্যাত্মিক অবস্থার অবনতির কথা উল্লেখ করিলাম, "তা ১ লক্ষ্য করিয়া |- নিজ দলে গেলে পরে সমাদর পাই হে, আপনারে বড় ভাবি তাই হে ! কিন্তু কি যে বড় আমি জান তুমি অন্তৰ্যামী, তব অগোচর। প্ৰভু কোনো কথা নাই হে। যাহা হউক, দীক্ষা ও সাধারণ সমাদরের ধাক্কা সামলাইয়া উঠিতে কিছুদিন গেল । আমি যে ব্ৰাহ্ম দিলে হঠাৎ কিরূপ সমাদৃত হইয়া পড়িলাম, তাহার প্রমাণ স্বরূপ इरेौि चनां खेद्ब्रक्षं कक्रिडद्दि । y