পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪০৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্ৰসন্নময়ী। দেখলেন, কেমন একটা নূতন বিষয় দেখলাম। দুইজনে এই লইয়া হাসাহাসি হইতেছে, এমন সময় আমি স্কুল হইতে আসিয়া উপস্থিত। আমিও এই কথা শুনিয়া খুব হাসিতে লাগিলাম। প্ৰসন্নময়ীকে ৰলিলাম, “তোমার মতো স্ত্রী নিয়ে ঘর করা কিছুই কষ্টকর নয়, বেশ বুদ্ধি বার করেছ তো ! যা হোক, আমাকে বললে আমি আয়না এনে দিতে পারতাম।” sLDD S S LDuDBD BBBD Dm DBBDBu DD DSS DBB BBB S কিয়াৎক্ষণ পরেই ব্ৰহ্মময়ী চলিয়া গেলেন । আমৱা ভাবিলাম তিনি বাড়ি গেলেন । কিন্তু এক ঘণ্টার মধ্যেই এক প্ৰকাণ্ড আয়না লইয়া আসিয়া উপস্থিত । পলিলেন, “এটি আমার উপহার, নিতেই হবে।’ এমন ভাবে, এমন আগ্রহের সহিত এ কথা বলিলেন যে, আমরা আর “ন’ বলিতে পারিলাম না, মন একেবারে মুখ হইয়া গেল । পরে জানিলাম, আমাদের বাড়ি হইতে আর বাড়িতে যান নাই, একেবারে বেণ্টিঙ্ক স্ট্রীটে গিয়া, এক জানা দোকান হইতে আয়নাখানি কিনিয়া আনিয়াছেন। ব্ৰহ্মময়ীর জন্য দুৰ্গামোহনবাবুর বাড়ি আমার জুড়াইবার স্থান ছিল । সপ্তাঙ্গের মধ্যে প্ৰায় প্ৰতিদিন বৈকালে স্কুল হইতে আসিয়া ব্ৰহ্মময়ীর কাছে। যাইতাম । গিয়া দেখিতাম, বসিবার ঘর চেয়ার কৌচ টেবিল প্ৰভৃতি দিয়া সুন্দর রূপে সাজানো, কিন্তু ব্ৰহ্মময়ীর সেদিকে দৃষ্টি নাই, তিনি মেজের উপরে মাটিতে বসিয়া সমাগত কয়েকটি মেয়েকে পাশে বসাইয়া গল্প করিতেছেন। একদিনকার একটি ঘটনা বলি । একদিন একটি মেয়ে গল্পচ্ছলে বলিলেন, মিউনিসিপ্যাল মার্কেটে বেশ লিচু উঠিয়াছে, তাহারা আনাইয়া খাইয়াছেন । ইহার পর কথাবার্তার মধ্যে ব্ৰহ্মময়ী একবার উঠিয়া গিয়াছিলেন, ত্বরায় আসিলেন । তৎপরে আবার কথায় বার্তায় হাসা হাসিতে সময় যাইতে লাগিল। ইতিমধ্যে মিউনিসিপ্যাল মার্কেট হইতে বড় বড় লিচু আসিয়া উপস্থিত। ব্ৰহ্মময়ী মেয়েদিগকে বলিলেন, “খাও, লিচু খাও।” ইহা লইয়া হাসাহালি পড়িয়া গেল । তাহার বাড়িতে পদাৰ্পণ করিলেই তিনি তঁহার আশ্রিত মেয়েদেৱ কাহার জন্ম কি করা কর্তব্য, আমার সঙ্গে সেই পরামর্শে প্ৰবৃত্ত হইতেন। অধিকাংশ দিন সন্ধ্যার BBD DBDB BDBDB KEBD D D zL LL DDuBB D S এই ব্ৰহ্মময়ী ১৮৭৬ সালের নভেম্বর মাসে আমাদিগকে পরিত্যাগ করিয়া গেলেন। তাহার মৃত্যুতে আমরা সকলেই, বিশেষত আমি, মর্মাহত হইলাম। তিনি যখন চলিয়া গেলেন, তাহার এই সকল সদাশয়তার স্থতি আমার মনে জাগিতে লাগিল এবং আমাকে শোকার্ত কবিতে লাগিল । তঁহার স্বৰ্গারোহণের পায় আমরা একমাস কাল প্ৰতিদিন সন্ধ্যার সময়, তাহার ভবনে মিলিত হইয়া তাহাকে স্বাৱদা YA SO