পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৪১৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


f “পিতামাতার ব্যবহার। এই পীড়ার সমান্নার পূজনীয় জনক-জননী কি কৰিয়া" ছিলেন, এবং আমার বিশ্বাসী অনুগত छूडीशरे কি করিয়াছিল, তাহা লিপিবদ্ধ কিরিবার উপযুক্ত । তৎপূর্বে আট বৎসর বআমার পিতাঠাকুর মহাশয় আমার মুখमेन भ ञांशे । ऊिभि c વિષ-૨માં ক গ্রামে প্ৰবেশ করিতে দিবেন না। ‘বলিয়া গুণ্ডা ভাড়া করিতেন, ও শেষে সেন্স ত্যাগ করিয়াও আমি বাড়িতে কোনো ঘরে অবছি জানিলেই সে ঘরের দিকে ঘঞ্চন না, পথে আমাকে দেখিলে সে পথ পরিত্যাগ করিতেন, এ সকল অগ্ৰেই বটি ছ। আমি পীড়তে পড়িয়া যখন বুঝিতে পারিলাম যে পীড়া কঠিন, আমার জীবাশয়, তখন তাহাকে সংবাদ দেওয়া উচিত মনে করিলাম। রোগশয্যায় পড়িয়া উকি পত্র লিখিলাম। পীড়"র সংখ্যািদ দিয়া লিখিলাম, “যদি উচিত বিবেচনা করেন,jif যাইবেন । তাহা না হইলে এই বিদায়, পাকে দেখা হইবে।” তৎপূর্বে বাবা আমার চিঠিপত্র খুলিতেন না, উপরে আমার श्र्ङ्गद्र দেখিলে ছিড়িয়া ফেলিতেন । এ পত্র যে কোন পড়িলেন, বলিতে পারি না। আন করি, লোকমুখে অগ্ৰেই আমার পীড়ার সংবাদ পাইয়াছিলেন । যাহা হউক, একদিন প্ৰাতে আমার ভবার স্বাবে একখানি গাড়ি আসিয়া লাগিল । প্ৰসন্নময়ী জানাল হইতে দেখিয়া দৌৰি আসিয়া আমাকে সংবাদ দিলেন, "বাবা ওঁ মা আসিয়াছেন।” মা উপরে আসিd, কিন্তু পাবা। আর সে ভবনে প্ৰবেশ করিলেন DD D DDDBDS SGLEKBBKS KELSDD আসিয়া কঁাদিয়া বসিয়া পড়িলেন। “বাবা আসিলেন না কেন ?” জিজ্ঞাসা করাক্সেলিলেন, তিনি কবিরাজ ডাকিতে গিয়াছেন। অনুসন্ধানে জানিলাম, বাবা আমার ঠি পাইয়া, মায়ের গহনা বন্ধক দিয়া টাকা লইয়া আমার চিকিৎসায় জন্য আসিয়ান, বাড়িতে প্ৰবেশ কৰিবেন না, আমার জাতি দাদা হেমচন্দ্র বিদ্যারত্ব মহাশয়ের বাসা থাকিয়া আমার চিকিৎসা করাইবেন। যথাসময়ে কবিরাজ আসিলেন ।t তঁহাকে আমার ভবনে প্ৰবেশ করাইয়া দিয়া নিজে পথপার্থে দোকানে বসিয়া রহিরেন। কবিরাজ আমাকে দেখিয়া গেলে তাহার মুখে সমুদয় শুনিলেন। S. তাহার এই ব্যবহারে আমার চটে কত জল পড়িল। তৎপূর্বে এই আট বৎসর সংসারের আপদ-বিপদে জ্ঞাতসারে আমার এক পয়সা ও সাহায্য লন भाई । अंग्रह शधि কখনো জানিতে পারিয়াছেন যে, মাষ্ট্রর হাত দিয়া গোপনে কিছু অর্থ সাহায্য করিতে চাহিতেছি, তখন তুমুল কাও করিয়াছেন। তিনি আমাকে একেবারেই ত্যাজ্য পুত্র করিয়াছিলেন। কিন্তু সেই পতিত পুত্র যখন বিপদে পড়িয়া স্মরণ করিল, তখন আর অস্থিৰ থাকিতে পাৰিলেন না। দরিদ্র ব্রাহ্মণ, সম্বল নাই। যে সম্বল হাতের কাছে " '