পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬৪

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


r47 তখন ১৭ হবে অথচ Indian Mirror: সাপ্তাহিক পত্রের সম্পাদকীয় ভাৱ তিনি iDDBuBLL0 BBLBBBLB DBB g BB DDu DD LLLLLL LLLLLGGCL BBDu YKg খেলছিল। দুঃখের বিষয় এই যে তঁর মনের সাধ পূর্ণ হ’ল না। তিনি ভেবেছিলেন এক, বলবত্তর দৈব তাকে অন্য দিকে নিয়ে গেল। আমার জীবনক্ষেত্ৰ বোম্বাই, তার হ’ল বাঙ্গালা দেশ ; আমার কৰ্ম্ম গবৰ্ণমেণ্টের চাকরী, তার স্বাধীন আইন ব্যবসা; তিনি যে ক্ষেত্রে জয়লাভ করলেন সেই তার উপযুক্ত ক্ষেত্র, আমিও আমার উপযুক্ত কৰ্ম্মক্ষেত্ৰ পেলুম। কেবল দুঃখ রইল আমাদের একযাত্রায় পৃথক ফললাভ ঘটল । আমাদের বিলাত যাওয়া একরকম ঠিক হয়েছে এমন সময় আমরা একদিন Botanical Garden-এ বেড়াতে যাই। পার হবার সময় একটা ষ্টিমারের ধাক্কায় আমাদের নৌকা উণ্টে গেল। আমি সাঁতার জানতুম, নৌকার একভাগ কোনরকম করে আঁকড়ে ধরে রহিলুম। কিন্তু মনোমোহন নৌকার তলায় পড়ে হাবুডুবু খেতে লাগলেন, তার আর উদ্ধারের কোন উপায় ছিল না । শেষে অনেক ডাকাডাকির পর পানসীর মাঝি তাকে টেনে ওঠালে। আমরা কাউকে কিছু না বলে সেই ভিজে কাপড়ে আমাদের গম্য স্থানে চলে গেলুম-সেখানে কাপড় শুকিয়ে বেড়িয়ে চেড়িয়ে যথা সময়ে বাড়ী ফিরলুম। এই বৃত্তান্ত বাবামশাইয়ের কর্ণগোচর হওয়াতে আমাদের বিলাত যাওয়া বন্ধ হবার উপক্রম হয়েছিল । তিনি বল্লেন, “তোমরা এখানেই আপনাদের আপনার সামলাতে পার না তোমাদের ঐ দূরদেশে পাঠান যায় কি করে ? তোমাদের কেউ সঙ্গী নেই, রক্ষক নেই, আপনার উপরে নিভাির করেই যেতে হবে, তোমরা তা পেরে উঠবে কিনা এখন আমার সন্দেহ হচ্ছে।” বাস্তবিক ভেবে দেখতে গেলে আমরা অসমসাহসের কাজে প্ৰবৃত্ত হয়েছিলুম বলতে হবে । আমরা দুটি তরুণৰয়স্ক বালক আর তখন ইংলেণ্ডে যাওয়া এখনকার মত এপাড়া ওপাড়া নয়। Suez Canal VSN eVgVS IKI NTR, Suez crt-F Alexandria (V cigarofę i g: পথের সমুদায় বিস্ত্রবাধা অতিক্রম করে যাওয়া আমাদের মত বালকের পক্ষে সহজ ছিল না। তখনকার কালে লোকে ‘কালাপাণি’ পার হওয়া এক অসাধ্য সাধন মনে করতঅকারণে নহে ; কেননা আমাদের মধ্যে প্রথম যে দুইজন যাত্রী যান, রামমোহন রায় ও স্বারিকনাথ ঠাকুর, তাদের আর দেশে ফিরে আসতে হয় নাই। কাজেই লোকেদের <ধারণা ছিল যে ও-দেশে গেলে আর ফিরতে হবে না "The land from whose bourne no traveller returns' যা হোক শেষে আমাদের যাওয়াই সাব্যস্ত হ’ল । আমি তা আমার প্রিয়জনের {tፅዎ