পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৬৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


মূৰ্ত্তি নয়—তারা অভ্ৰভেদী দেব আত্মা ভীষণ দর্শন নহে-সে গিরিশ্ৰী অন্তরূপ, যেন আমাদের অপেক্ষাকৃত আয়ত্তের ভিতর-ঘরের জিনিস। ও-দেশের ধবলগিরি হচ্ছে *Mont Blanc-সেও “সতত ধবলাকৃতি বিশাল অটল।” তার তুষারমণ্ডিত গাত্র । দিয়ে ওঠানামা করে মনের সাধে বেড়িয়ে বেড়াতুম। শামুনি হ’তে সেই গিরিরাজের সম্মুখীন হয়ে কবি কোলরিজের স্তব মনে পড়ত "O dread and silent Mount I gazed upon thee, Till thou, still present to the bodily sense, Did'st vanish from my thought. Entranced in prayer, I worshipped the Invisible alone -' হে গিরিরাজ, তোমাকে ভুলিয়া সেই অমুর্তের ধ্যানে মগ্ন হইলাম। শেষে খ্রিষ্টমারে করে। Lucerne সরোবরের উপর পরিভ্রমণে আমাদের ভ্ৰমণের পালা সাঙ্গ হ’ল। যুরোপের মুক্তক্ষেত্ৰ হ’তে আবার আমরা ক্ষুদ্র ছাত্রাবাসে প্ৰত্যাবৰ্ত্তন করলুম। বাড়ী গিয়ে আমার এই জয়বাৰ্ত্তা ঘোষণা করবার জন্য মন ছটফট করছে কিন্তু এই গেল প্ৰথম পরীক্ষা, দ্বিতীয় পরীক্ষার জন্য আর এক বৎসর অপেক্ষা করতে Kitą i c <R73, 7 Sta University Hall tg, cR পরীক্ষার উপযোগী পড়াশুনায় সময় কেটে গেল। সেও এক ছাত্রাবাস কিন্তু প্ৰথমোক্ত পলীতে আমরা যে-ভাবে ছিলাম। এখানে তা হ’তে স্বতন্ত্র বন্দোবস্ত । পারিবারিক শৃঙ্খলার অভাব। যিনি আমাদের প্রিন্সিপাল ছিলেন তিনি নির্লিপ্তভাবে দূরে দূরে থাকতেন-তার সঙ্গে খাবার টেবিলে যা আমাদের দেখা হ’ত । আমাদের সব নিজের নিজের গোছগাছ করে নিতে হ’ত ৷ দু একটি ছাত্রের সঙ্গে আমার খুব হৃদ্যতা হয়েছিল। তাদের মধ্যে এখন কেবল একটির নাম (Schwanne) দেখতে পাই, যিনি এক্ষণে পার্লামেন্টের মেম্বর । দ্বিতীয় পরীক্ষা শেষ হয়ে গেলে আমার দেশে ফেরবার সময় এল। তখন আমার বন্ধুর কাছ থেকে বিদায় নিয়ে কবির আশীৰ্বাদ সহকারে ভারত অভিমুখে যাত্রা করলুম। মনোমোহন ‘মন্ত্রের সাধন কিম্বা শরীর পতন’ পণে সে দেশেই পড়ে রইলেন । কবির আশীৰ্বাদ সুরপুরে সশরীরে, শূদ্ৰকুলপতি অৰ্জ্জুন, স্বাকাজ যথা সাধি পুণ্যৰলে ফিরিলা কাননৰাসে ; তুমি হে তেমতি যাণ্ড সুখে ফিরি। এবে ভারত মণ্ডলে, মনোন্তানে আশালতা তব ফলবতী ! ty 本町亨q一●