পাতা:আত্মকথা - সত্যেন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


** \9 (KZS *pejskiego সাপ-“জিহবা লিডি বিডি সিড়ি কিচডি করি কুপ-” ( আমি যদি কুপ করে তোকে খেয়ে ফেলি ? ) ব্যাঙ-“হম যদি পাfনমে ডুব গয়া ভুসম ভুসড়ি খায়া গুজডি মুজারি করি গুপ-' ' (আমি যদি গুপ করে জলে ডুবে যাই ? নবীনবাবু চার রকম ভিন্ন প্ৰকৃতি লোকের কথা বলতেন— বেগবেগা, বেগচোৱা, চেরবেগা, চেরচের । স্মরণশক্তির তারতম্যে এই চাৱ द्रकश ८छरक ट्; । বেগবেগা,--যে শীঘ্ৰ শেখে শাস্ত্ৰ ভুলে যায় ; বেগচেরা-যে শীঘ্ৰ শেখে চিরদিন মনে রাখে ; চেরবেগী,-যে দেরীতে শেখে। শীঘ্ৰ ভুলে যায় ; CScts.-Cr (Wives CeCe (WCS Cete এর মধ্যে অবশ্য বেগচেরা তওয়াই প্ৰাৰ্থনীয়। তার নীচে চেরচের । চেরবেগাই । অধম । উপরে নবীনবাবুকে বিদুষকৰূপেই চিত্রিত করে দেখান গেল, কেননা তার ঐ দিকটাই আমাদের চোখের সামনে থাকত ; কিন্তু তা ছাড়া আর আর দিকেও তিনি ব্যাখ্যানযোগ্য । সাহিত্য-সমাজে তার প্রতিপত্তি সামান্য ছিল না । কেবল আমাদের ঐ বয়সে তার বিদ্যাসাধ্যের সর্বাঙ্গীণ মৰ্য্যাদা আমরা বুঝতে পারতুম না। শ্ৰীযুক্ত অক্ষয় কুমার দত্ত প্ৰথমে তত্ত্ববোধিনী পত্রিকার সম্পাদক ছিলেন। তিনি অবসর নেবার পর নবীনবাবু সম্পাদকীয় ভার গ্ৰহণ করেন ও দক্ষতাসহকারে কয়েক বৎসর সেই কাৰ্য্য সম্পাদন করেন। তত্ত্ববোধিনী ভিন্ন তখনকার অন্যান্য সংবাদপত্রেও র্তার প্রবন্ধাদি প্ৰকাশিত হ’ত। ঐতিহাসিক তত্ত্বাবলীতে তার বিশেষ বুৎপত্তি ছিল। এবং বিশ্বকোষের পাতা উন্টে দেখলে তার পাণ্ডিত্যপূর্ণ অনেকগুলি লেখা দেখতে পাওয়া যায় । অক্ষয় কুমার দত্ত ইনি ছিলেন আমাদের সাহিত্যগুরু । ১৮৪৩ সালে তিনি তত্ত্ববোধিনী পত্রিকায় সম্পাদকরূপে নিযুক্ত হন, সেই সময় থেকে আমাদের বাড়ী তার যাওয়া আসা। 9:8ܛ