পাতা:আত্মচরিত (শিবনাথ শাস্ত্রী).pdf/২২৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সপ্তম পরিচ্ছেদ RR বিদায়, পরলোকে দেখা হইবে।” তৎপুর্বে বাবা আমার চিঠিপত্র খুলিতেন না ও উপরে আমার হস্তাক্ষর দেখিলে ছিড়িয়া ফেলিতেন। এ পত্ৰ যে কোন পড়িলেন বলিতে পারি না। অনুমান করি লোকমুখে অগ্ৰেছ আমার পীড়ার সংবাদ পাইয়াছিলেন। যাহা হউক একদিন প্ৰাতে আমার ভবনের দ্বারে গাড়ি আসিয়া লাগিল। প্ৰসন্নময়ী জানালা হইতে দেখিয়া দৌড়িয়া আসিয়া আমাকে সংবাদ দিলেন, “বাবা ও মা আসিয়াছেন।” মা উপরে আসিলেন, কিন্তু বাবা আর সে ভবনে প্ৰবেশ করিলেন না । মা আমার রোগশয্যার পাৰ্থে আসিয়া কঁাদিয়া বসিয়া পড়িলেন। বাবা আসিলেন না কেন জিজ্ঞাসা করাতে বলিলেন তিনি কবিরাজ ডাকিতে গিয়াছেন। অনুসন্ধানে জানিলাম। বাবা আমার চিঠি পাইয়া মায়ের গহনা বন্দক দিয়া টাকা লইয়া আমার চিকিৎসার জন্য আসিয়াছেন। বাড়ীতে প্ৰবেশ করিবেন। YS DBBD S LDBD BBuY DBtD DDBLOS DBBD DBD আমার চিকিৎসা করাইবেন। DDBB DDB BDBBS S DD DBDS SDBDL DY প্ৰবেশ করাইয়া দিয়া নিজে পথপাশ্বে দোকানে বসিয়া রহিলেন । কবিরাজ আমাকে দেখিয়া গেলে তঁহার মুখে সমুদয় শুনিলেন। তাহার এই ব্যবহারে আমার চক্ষে কত জল পড়িল। তৎপুর্বে এই আট বৎসর সংসারের আপদ বিপদে জ্ঞাতসারে আমার এক পয়সাও সাহায্য লন নাই। পরন্তু যদি কখনও জানিতে পারিয়াছেন যে, মায়ের হাত দিয়া গোপনে কিছু অর্থসাহায্য করিতে চাহিতেছি, তখন তুমুল কাণ্ড করিয়াছেন। তিনি আমাকে একেবারেই ত্যাজ্যপুত্ৰ করিয়াছিলেন। কিন্তু সেই পতিত পুত্র যখন বিপদে পড়িয়া স্মরণ করিল, তখন আর সুস্থির থাকিতে পারিলেন না। দরিদ্র ব্ৰাহ্মণ, সম্বল নাই। যে