পাতা:আত্মচরিত (শিবনাথ শাস্ত্রী).pdf/২৬৬

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Que শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত মন্দির নিৰ্ম্মাণের ব্যয় কত হইবে, ট্রহী কারা নিযুক্ত হইয়াছেন, ইত্যাদি। বোধ হইল যেন তিনি ট্ৰক্ট নিয়োগের পূর্বে টাকা দিবেন কি না, কাহার হাতে দিবেন, কত দিবেন, তাহা স্থির করিতে পারিতেছেন না। একদিন আমি মহৰ্ষির সহিত সাক্ষাৎ করিতে গেলাম। তিনি তখন তাহার জোড়াসাঁকোস্থ ভবনেই আছেন। গিয়া দেখি ভক্তিভাজন রাজনারায়ণ বনু মহাশয় বসিয়া আছেন। তিনজনে অনেক কথা আরম্ভ হইল। মছধি রাজনারায়ণ বাবুকে ও আমাকে বড় ভাল বাসিতেন। রাজনারায়ণ বাবুতে ও আমাতে মিলন, মহৰ্ষির নিকট যেন মণি-কাঞ্চনের যোগ বোধ হইল ; তাহার হৃদয় দ্বার খুলিয়া প্রেমের উৎস, আনন্দের উৎস উৎসারিত হইতে লাগিল ; তিনজনের অট্টহাস্তে অতবড় বাড়ী কাপিয়া যাইতে লাগিল। ক্ৰমে নিৰ্ব্বরের সুন্দিগ্ধ বারির ন্যায়। মহৰ্ষির বাক্যস্রোতে হাফেজ আসিলেন ; নানক আসিলেন ; ঋষিরা আসিলেন ; উপনিষদ আসিলেন ; আমরা সকলে সেই রসে মগ্ন হইয়া গেলাম। দেখিতেছি। মহৰ্ষির কান দুটা লাল হইয়া যাইতেছে ; মহৰ্ষির মন্তকের কেশ মাঝে মাঝে খাড়া হইয়া BLBLSS TDBD DBDD DBDE BDDB BDBDD DDDBBD DL BB করিলাম, “আমাদের অর্থসাহায্যের দরখাস্তের হলো কি ?” মহর্ষি হাসিয়া বলিলেন-“তোমাদের দরখাস্ত নথির সামিল আছে। কিছুদিন পরে রায় বাহির হবে।” আমি হাসিয়া জিজ্ঞাসা করিলাম, “রায় বাহির । হবে কবে ?” মহৰ্ষি-কিছুদিন পরে হবে। ইহার পরে আবার সদালাপের তরঙ্গ, হাসির গরুরা ও ভাবোচ্ছাসের তরঙ্গ উঠিতে লাগিল। অবশেষে আমি উঠতে চাহিলে মহর্ষি উঠিয়া আমার হাত ধরিলেন, বলিলেন, “চল, কিছু না খেয়ে যেতে পাবে না।” এই বলিয়া আমার