পাতা:আত্মচরিত (শিবনাথ শাস্ত্রী).pdf/৩৪৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


VO8V শিবনাথ শাস্ত্রীর আত্মচারিত পদধূলি লইয়া তাহার শয্যাপার্থে বসিলেন, তখন বাবা তাহার মুখের দিকে চাহিয়া কাঁদিতে লাগিলেন। আমি ডাক্তার বন্ধুকে বাবাকে দেখিয়া পার্থের ঘরে আসিবার জন্য অনুরোধ করিয়া সেই ঘরে গেলাম। তিনি আসিয়া বলিলেন, যে, নাড়ী আবার পাওয়া যাইতেছে। আমি জগদীশ্বরকে ধন্যবাদ করিলাম। ইহার পরে আমি আমার জননীর দ্বারা বাবাকে আমার সঙ্গে কথা কহিবার জন্য অনুরোধ করিতে লাগিলাম। বলিলাম, SDDBD SBD DDD SDDS D DBS S BD SBBBSB ডাক্তারকে বুঝাইয়া দিব।” তাই বুঝিলেন বলিয়াই হউক, বা তাহার যে দিন পীড়া হইয়াছে তৎপরদিনেই কিরূপে আসিলাম, এই ভাবিয়াই uDuDDS BBB BDBBu uBBDLBB DBD DD DD0 EBB DDD আমার মুখ দেখিলেন ও আমার সঙ্গে কথা কহিলেন। SDDB DB BDBDB BD DBBB DBBBD DDD DDB D DBB হাইত না । ডাক্তার হাত দেখিয়া বলিতেছেন, “নাড়ী পাওয়া যাচে”। বাবা DBBLBDSDLDD DBDB DS S DDBLBDDS DDD তাহার দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করিয়া আমাকে বলিতেছেন, “কেমন অজ্ঞ দেখেছ, যার জন্য কাশীতে আসা তাই ঘাটুবার উপক্রম। কোথায় আমোদ করবে, না, কান্না। কাশীতে কিছু বিষয়-বাণিজ্য করতে আসি নি। মরুতে এসেছি, সেই মরণ এসে উপস্থিত, তাতে আবার শোক কেন?” আমি বলিলাম, “বাবা! আপনি তা সহজ কথাগুলো বললেন, মারা প্ৰাণ তা শুনবে কেন ?” বাবা, “তবে ওরি এখানে আসা উচিত হয় নি " তার পর শোনা গেল যে কচি তালের জল দিলে হিকা থামিতে পারে। কচি তাল কোথায় পাওয়া যায় আমি সেই চেষ্টায় বড় ব্যস্ত হইলাম। পরদিন প্ৰাতে আমার একজন বন্ধু তঁহাকে দেখিতে আসিলেন। বাবা হাসিয়া তাহাকে বলিলেন, “দেখ হে, তাল না পেলে এ তাল সামলাচ্চে না ।”