পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১২২

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ইহা আমার বড় অন্যায় বোধ হইল। আমি এই অবস্থা ঘাচাইবার জন্য সঙ্কল্প করিয়া সোমপ্রকাশে লেখনী ধারণা করিলাম, সোমপ্রকাশের বাহিরের পাঠকগণ বিরক্ত হইয়া যাইতে লাগিলেন। কাগজে লিখিয়া সন্তুষ্ট না হইয়া, আমি স্কুলগাহে গ্রামবাসী দিগকে ডাকিয়া এ বিষয়ে আন্দোলন আরম্ভ করিলাম। বহা জনের স্বাক্ষর করাইয়া কর্তৃপক্ষের নিকট এক আবেদন প্রেরণ করিলাম। যদিও এই সকল আন্দোলনের ফল হরিনাভি ত্যাগ করিবার পাবে আমি দেখিয়া আসিতে পারি নাই, তথাপি সখের বিষয় এই যে, ইহারই ফলে রাজপর প্রভৃতি গ্রাম বেহালা হইতে পথিক হইয়া এক স্বতন্ত্র মিউনিসিপ্যালিটি রাপে পরিণত হইয়াছে এবং গ্রামের অবসােথা অনেক ফিরিয়াছে। আমি এই সময়ে আর এক বিষয়ে আন্দোলন উপস্থিত করি, এবং ঈশবর কৃপায়। তাহাতেও কৃতকাৰ্য হই। সোমপ্রকাশে লিখিতে আরম্ভ করি যে, রাজপর প্রভৃতির ন্যায় ম্যালেরিয়া প্ৰপীড়িত গ্রাম সকলের মধ্যে একটি গবণমেণ্ট চ্যারিটেবল ডিসপেনসারি থাকা উচিত। আমি হরিনাভিতে থাকিতে থাকিতেই গবৰ্ণমেণ্ট এ বিষয়ে মনোনিবেশ করেন। প্রথম ডাক্তার ও ঔষধের বাক্স আমার নিকট প্রেরিত হয়। আমি ডাক্তার মহাশয়কে ও ঐ ডাক্তারখানাকে হরিনাভির এক ভদ্রলোকের বাহির বাড়িতে সােথাপন করি। পরে সেই দাতব্য চিকিৎসালয়ের অনেক উন্নতি হইয়াছে। তৃতীয় এক বিষয়ে আন্দোলন উপস্থিত করিতে হয়। সেটি মামার স্কুলটিকে সােথায়ী ভূমির উপর দণ্ডডায়মান করিবার চেষ্টা করা। মামা স্কুলটি স্থাপন করিবার সময় একটি অবিবেচনার কায করিয়াছিলেন। তাঁহার মনে বোধ হয় ছিল যে স্কুলটি উচু দরের স্কুল হইবে। সে জন্য তিনি শিক্ষকদিগের বেতনের হার চড়াইয়া বধিয়াছিলেন যথা, প্রথম পন্ডিতের বেতন ৪০ টাকা। কিন্তু ফল। এই দাঁড়াইয়াছিল যে, কেহই তৎপবে ঐ উচ্চ হারে বেতন পান নাই, হেড পশুিডত মহাশয় তৎপবোঁ পাঁচ বৎসর মাসে ২৫ টাকাই পাইয়া আসিতেছিলেন। এইরপে অপরেরাও সবুকুল প্রতিষ্ঠা কালে নিদিলন্ট বেতন অপেক্ষা অনেক কম বেতন পাইতেন। বেতনের হার বড় রাখার ফল এই হইয়াছিল যে, যখনই ছাত্র দত্ত বেতন হইতে কিছু টাকা উদবত্ত হইত, তাহা ঐ উচ্চ হারের কুক্ষিতে যাইত। বহদিন হইতে বেণ্ড ম্যাপ পেলাব লাইব্রেরি প্রভৃতির জন্য কিছ: ব্যয় করা হইত না। এ সকলের অতীব অভাব ছিল, অথচ তাহা পণ্য হইত না। শিক্ষকদিগের কলিপিত বেতনের হার কমাইয়া আমি সবুকুলটির উন্নতি করিবার জন্য কৃতসঙ্কলপি হইলাম, এবং সবাগ্রে আমার বেতন ১oo, হইতে ৮ or করিয়া, অপরাপর শিক্ষকগণ তৎপবোঁ পাঁচ বৎসর যাহা পাইয়া আসিতেছিলেন তাহাই তাঁহাদের নিদি ভ্ৰাট বেতন বলিয়া সিথর করিবার জন্য ইনস্পেক্টরকে লিখিলাম । শিক্ষকদিগের মধ্যে তুমল আন্দোলন উপস্থিত হইল। আমার মাতার জ্যাঠতুতো ভাই কৈলাসচন্দ্র চক্রবতী মহাশয় তখন স্কুলের হেড পশিডত ছিলেন, তিনি এই আন্দোলনে প্রধান নেতা হইলেন। শিক্ষকদিগের মধ্যে কেহ-কেহ স্কুল ভাঙিয়া আর এক স্কুল BDDDB DDD S DB BuBBB BDBBBD DDBB DBDD DBD BB BDDBDD থাকিলাম, তাঁহাদিগকে গোপনে বক্সাইলাম, আমার উদ্দেশ্য যে স্কুলটির উন্নতি করা, ইহা ভালো করিয়া দেখাইয়া দিলাম। কিন্তু কিছতেই তাঁহারা থামিলেন না। অবশেষে একদিন ছটির পরে সমাদয় শিক্ষককে একত্র করিয়া ঘড়ি খলিয়া তাঁহাদের সম্পম খে DDBBD DDBDS DDDS DD uBuBD DDB DBDB DBBD BBB BBB আন্দোলন করিতেছেন, তাঁহাদিগকে দশ মিনিট সময় দিতেছি। ইহার মধ্যে স্থির No NO