পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৫৭

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


হয়েছে। আমাদের সমাজের নাম ‘আদি’ সমাজ, আমরা কালে আছি। কেশববাবর সমাজের নাম “ভারতবষীয় সমাজ, তাঁরা দেশে আছেন। তোমরা দেশ কালের অতীত হইয়া যাও।” সেখান হইতে আমরা নিতেন সমাজের নাম ‘সাধারণ ব্ৰাহমসমাজ” রাখা স্থির করিয়া আসিলাম। সেই নামই রাখা হইল। DuBB DD DBDB BDDDBDB DDBD D BD BDB DDDD S Buu BBDB অনেকে এ নাম পছন্দ করিলেন না, তাঁহাদের চক্ষে যেন কেমন হালকা-হালকা বোধ হইতে লাগিল, ছেলে-ছোকরার ব্যাপার, হাঁটুগোল, এই ভাব তাঁহাদের মনে আসিতে লাগিল। এই কারণেই বোধ হয়, প্রাচীন ব্রাহমদিগের মধ্যে যাঁহারা আমাদের সঙ্গে যোগ দিবেন। আশা করা গিয়াছিল, তাঁহাদের অনেকে তেমন করিয়া যোগ দিলেন না, দরে দাঁড়াইয়া দেখিতে লাগিলেন। দ্বিতীয়ত, এই নাম লওয়াতে বাহিরের লোকে মনে করিল, এ সমাজ কাহারও বিশেষ সম্পত্তি নয়, সাধারণের সম্পত্তি; এখানে যথেচ্ছ ব্যবহার করিবার অধিকার আছে। এই কারণে বাহিরের লোকের মধ্যে কেহ মন্দিরের আবারে গোলযোগ করিলে যদি তাহাতে বাধা দেওয়া যাইত, তবে তাহারা বলিয়া উঠিত, “এটা যে সাধারণ সমাজ, এখানে আবার বাধা দেও কেন ?” আমরা শনিয়া হাসিতাম। তৃতীয় ফলটি সবাপেক্ষা গরতর। এই নামের প্রভাবে, যাঁহারা ইহার সভ্য হইলেন, তাঁহাদের মনে নিরন্তর এই কথা জাগিতে লাগিল যে, ব্যক্তিগত প্রাধান্যে বাধা দেওয়াই এ সমাজের প্রধান কাজ। কমচারীদিগের কাজের সহায়তা করা অপেক্ষা তাঁহাদের কাজের দোষ প্রদশর্তন করা ও তাঁহাদের ব্যক্তিত্বকে সংযত করাই যেন সভ্যদিগের প্রধান কতব্য। এই ভাব লইয়া কাযারম্ভ করাতে প্রথম-প্রথম কিছদিন আমাদের পক্ষে কমচারী পাওয়া কঠিন হইয়া দাঁড়াইয়াছিল। বাষিক সভাতে কাব্যবিবরণ উপস্থিত হইলে সভ্যগণ এ ভাবে বসিতেন না যে, অবৈতনিক কমচারীগণ যিনি যতটা কাজ করিয়াছেন, সে জন্য ধন্যবাদ করিয়া ভবিষ্যতে আরও ভালো কাজের ব্যবস্থা করিতে হইবে; কিন্তু সভ্যগণ এই ভাবে উৎকণ ও উৎশওগ হইয়া বসিতেন যে, কাৰ্যবিবরণে কোথায় কি ব্ৰটি আছে তাহা বাহির করিতে হইবে, এবং কোথায় কি ভ্ৰম প্ৰমাদ আছে তাহা লইয়া ফাড়াছেড়া করিতে হইবে। বহ বৎসরে এই ভাব । অনেক পরিমাণে গিয়াছে। কিন্তু সেই উৎকণ ও উৎশওগ ভাব, সেই ব্যক্তিগত শক্তির নামে ত্রিাস, সেই ব্যক্তিগত সত্বাধীনতার প্রতি অতিরিক্ত মাত্রায় ঝোঁক, সেই কাযে একতা অপেক্ষা প্রতিবাদ-পরায়ণতার ভাব, এখনো সম্পপণ যায় নাই। সাধারণ ব্ৰাহমসমাজের ভাব বলিলে সভ্যগণের মধ্যে মতবিরোধ, দোষ প্রদর্শনেচ্ছা প্রভৃতি বব্যায়। ইহা অনেক পরিমাণে ঐ নাম গ্রহণের ফল বলিয়া বোধ হয়। অগ্ৰেই বলিয়াছি আমি যখন কমা ছাড়ি, তখন সাধারণ ব্রাহামসমাজ হয় নাই, সবে আন্দোলন উঠিতেছে। আন্দোলনটা একটা উপলক্ষ্য হইল বটে, কিন্তু আন্দোলন না উঠিলেও আমি কম ছাড়িতাম, সেজন্য আমি প্রস্তুত ছিলাম। ব্রাহমাধ্যম প্রচার ও ব্রাহমসমাজের সেবা এই দাই কমে আপনাকে দিব, এই উদ্দেশ্যেই কম ছাড়িয়াছিলাম। কিন্তু কম ছাড়িয়াও যদি কাহারও উপরে ভারস্বরপ না হওয়া যায় তাহাই ভালো, এটাও মনের ভাব ছিল। এই জন্য স্থির করিয়াছিলাম যে, কলেজের ছাত্রদিগের জন্য সংস্কৃত পাঠনার একটা প্রাইভেট ক্লাস খলিব। মাসে দই টাকা করিয়া বেতন লাইব। ৩০ । ৪০জন ছাত্র জটিলেই আমার আবশ্যক মতো ব্যয় চলিয়া যাইবে। আমি অবশিস্ট সময় ব্রাহাসমাজের কাজে দিব। অপরাপর কাজের মধ্যে ছাত্রদের জন্য একটি সমাজ স্থাপন করিব। এরপ কল্পনা করিয়াই কম ছাড়িয়াছিলাম। কিন্তু সাধারণ aO (Vb Sq) S( )