পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৬০

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


আনন্দমোহনবাব মিটিংএ আসিতেছেন শানিলেই আমাদের ভয় হইত, আজ আর রান্ত্রি দইটার পাবে মিটিং ভাঙ্গিবে না। কাজেরও অন্ত থাকিবে না, কথারও অন্ত DDB D DDB uuBDB BDS DBDDBDB uuBD DB BDS BBDBDDBD BDBDBDBD হাত ছাড়াইয়া কেহ উঠিতে পারিতেন না। কেহ উঠিতে চাহিলেই তিনি চেয়ার হইতে উঠিয়া দই হাত দিয়া ধরিয়া তাঁহাকে জোরে বসাইয়া দিতেন, বলিতেন, “আর একটি বসন, এইবার সকলে উঠিব।” সেই যে বসা, আবার দই-তিন ঘণ্টার ব্যাপার। তাঁহার গহিণীর মাখে শনিতাম, এই সময় তিনি মামলা মোকদ্দমার কাগজ পত্ৰ দেখিলেই বলিতেন, “এগালো যেন কাল সাপ, দেখলেই ভয় হয়। পেটের দায়ে ব্যারিসন্টারি করা।” হাইকোটের এটনিরা আমাকে বলিতেন, “হায় রে! এমন শক্তি থেকেও কাজে তেমন হল না। বোস একবার বলন যে, তিনি স্থির হয়ে শহরে থাকবেন, আমরা তাঁর ফাস্ট প্রাকটিস করে দিচ্ছি।” বসন্জ মহাশয় সে দিকে মন দিতেন না। তিনি মফঃসলে গিয়া কিছল অধিক উপাজন করিয়া আনিয়া বসিতেন, যেন ব্রাহামসমাজের কাজ করিবার সময় পান। এই তাঁহার কায্যের রীতি ছিল। কতবার ইচ্ছা করিয়াছেন যে, অনন্যকমা হইয়া দেশের হিত সাধনে লাগেন, কেবল বহৎ পরিবারের পালন চিন্তাতে পারিয়া উঠিতেন না। এমন অকৃত্রিম বিনয়, এমন বিমল ঈশবরপ্রীতি, এমন অকপট সবিদেশানরোগ, এমন সর্বজনপ্রেম, এমন কত ব্যনিৰ্ম্মঠা, আমি মানষে অলপই দেখিয়াছি। বড় সৌভাগ্য, ভগবানের বড় কৃপা যে, এমন মানষকে বন্ধরিপে পাইয়াছিলাম। p সাধারণ ব্ৰাহসমাজ সন্থাপিত হওয়ার পর কয়েক মাস ইহার কায্যের ব্যবস্থা করিতে গেল। প্রথম নিয়মাবলী প্রণয়ন, সকল সমাজে তাহার পাশভুলিপি প্রেরণ, সকলের মত সংগ্রহ ও তাহার বিচার, একটি মাদ্রাযন্ত্র সন্থাপন, সমাজের পত্রিকা পােস্তকাদির মাদ্রণ ও প্রচার, ইত্যাদি কাযে আমাকে নিরন্তর ব্যস্ত থাকিতে হইল। সাধারণ ব্ৰাহমসমাজের প্রথম প্রচারক দল। এইরপে কয়েক মাস অতীত হইলে অবশেষে সমাজের কমিটি ব্রাহমাধ্যম প্রচার কাযে মন দিবার সময় পাইলেন । চারি ব্যক্তিকে আপনাদের প্রধান প্রচারক রাপে মনোনীত করিলেন। সে চারি ব্যক্তি এই : (১ম) পন্ডিত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী, (২য়) পন্ডিত রামকুমার বিদ্যারত্ন, (৩য়) বাব গণেশচন্দ্র ঘোষ, (৪র্থ)। আমি। ইহার মধ্যে পন্ডিত বিজয়কৃষ্ণ গোস্বামী সব সাধারণের নিকট সপরিচিত। অগ্ৰেই বলিয়াছি, তিনি সংস্কৃত কলেজে। আমার সহাধ্যায়ী ছিলেন, এবং আমাকে উন্নতিশীল ব্রাহামদলে আকৃত্স্ট করিবার পক্ষে তিনি এক প্রধান কারণ ছিলেন। নরপাজার প্রতিবাদের পর কেশববাবার সহিত পানমিলিত হইয়া তিনি আবার প্রচার কাযে। রত হইয়াছিলেন। ১৮৭১ ৷৷ ৭২ সালে ভারত সংস্কার সভা ও তদধীনে দাতব্য বিভাগ ও বয়সস্থা মহিলা বিদ্যালয় ও ভারত আশ্রম স্থাপিত হইলে, তিনি সর্বাস্থ্যকে স্বাস্থ্য জ্ঞান না করিয়া বয়সস্থা বিদ্যালয়ের পাঠনা কাযে ও বেহালা নামক গ্রামের ম্যালেরিয়া প্ৰপীড়িত প্ৰজাপাঞ্জের মধ্যে দাতব্য ঔষধ বিতরণ কাযে প্রধানরপে আপনাকে নিযক্ত করেন। অতি প্ৰত্যুষে উঠিয়া সােথান ও উপাসনান্তে ঔষধাদি লইয়া ছয়-সাত মাইল উত্তীৰ্ণ হইয়া বেহালা গ্রামে ঔষধাদি বিতরণ করিতে যাইতেন। সেখান হইতে দ্বিপ্রহর ১২টা কি ১টার সময় আসিয়া আহার করিতেন, আহারান্তে ২টার পর বয়সস্থা বিদ্যালয়ে পাঠনা কাযে রত হইতেন। তৎপরে অনেকদিন দেখিতাম, রাত্রে SG y*