পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৬৩

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


যেন মণিকাণচনের যোগ বোধ হইল; তাঁহার হদয়, আবার খালিয়া প্রেমের উৎস আনন্দের উৎস উৎসারিত হইতে লাগিল; তিনজনের অট্টহাস্যে অত বড় বাড়ি কপিয়া যাইতে লাগিল। ক্ৰমে নিঝরের সস্নিগধ বারির ন্যায়। মহৰ্ষির বাক্যস্রোতে হাফেজ আসিলেন; নানক আসিলেন; ঋষিরা আসিলেন; উপনিষদ আসিলেন; আমরা সকলে সেই রসে eB DBBD BB S BDBBDS DDBBB DBDD DD DD DBBD DDDBBS DBDDBBB মস্তকের কেশ মাঝে মাঝে খাড়া হইয়া উঠিতেছে। এমন সময় কথার একটা বিচ্ছেদ হইবামাত্র আমি জিজ্ঞাসা করিলাম, “আমাদের অর্থ সাহায্যের দরখাস্তের হল ‘কি ?” মহৰ্ষি। কিছদিন পরে হবে। ইহার পরে আবার সদালাপের তরঙ্গ, হাসির গররা ও ভাবোচ্ছাবাসের তরঙ্গ উঠিতে লাগিল। অবশেষে আমি উঠিতে চাহিলে মহাষি উঠিয়া আমার হাত ধরিলেন ; বলিলেন, “চল, কিছ না খেয়ে যেতে পাবে না।” এই বলিয়া আমার হাত ধরিয়া দক্ষিণের বারান্ডার কোণের এক ঘরে লইয়া গেলেন। গিয়া দেখি, টেবিলের উপরে নানাবিধ মিস্টান্নাপণ পাত্র আমার জন্য অপেক্ষা করিতেছে। মহৰ্ষি আমাকে এক চেয়ারে বসাইয়া, পাশেবর এক চেয়ারে নিজে বসিলেন, এবং নিজের হাতে তুলিয়া এক একটি খাদ্য দ্রব্য আমাকে দিতে লাগিলেন। মহষির এই নিয়ম ছিল, যাহাদিগকে বড় ভালোবাসিতেন, তাহাদিগকে নিজের হাতে তুলিয়া দিয়া খাওয়াইয়া সখী হইতেন; সেইরােপ আমাকে খাওয়াইতে লাগিলেন। খাইতে-খাইতে আমি বলিলাম, “ঢের হয়েছে, পেট ভরেছে।” তিনি আর একটি সখাদ্য লইয়া হাসিয়া বলিলেন, “তা বললে চলবে না, বাপ ! এ সব জিনিস বাড়ির মেয়েরা নিজের হাতে করেছেন, না। খেলে নারীর সম্পমান করা হবে না; তোমরা তো সন্ত্রী-স্বাধীনতার দল!” এই বলিয়া অট্টহাস্য করিয়া উঠিলেন। এমন সন্দের, এমন পবিত্র, এমন অকপট হাস্য মানষে কম দেখিয়াছি। রাজনারায়ণ বসা মহাশয় ও মহৰ্ষির জ্যোিঠ পত্র দ্বিজেন্দ্রনাথ ঠাকুর মহাশয় আমাদের মধ্যে অকপট অট্টহাস্যের জন্য প্রসিদ্ধ ছিলেন; কিন্তু মহৰ্ষির হাস্য বড় কম চিত্তাকর্ষক ছিল না। তবে তিনি সকলের কাছে হাসিতেন না, নিতান্ত অন্যরক্ত লোকের ভাগ্যেই তাহা ঘটিত। আহারান্তে আমরা আবার মহর্ষিার বৈঠক গহে ফিরিয়া আসিলাম। আসিয়া দেখি, রাজনারায়ণবাব তখনো বসিয়া আছেন। চুপে-চুপে তাঁহার কানো আহারের ব্যাপারটা বৰ্ণনা করিলাম, তিনি হাসিতে লাগিলেন। ইতিমধ্যে দেখি, মহাষি তাঁহার ক্যাশ-বাক্স তলব করিয়াছেন, ও চেকবকে বাহির করিয়া লিখিতে আরম্ভ করিয়াছেন। আমি সেদিকে মনোযোগ দিবামাত্র, হাসিয়া আমাকে বলিলেন, “তোমাদের দরখাস্তের ब्राक्ष विश्छ।” আমি (রাজনারায়ণবাবর প্রতি) । কেবল ব্রাহীমণ-ভোজন নয়, হাতে হাতে বিদায়টা হয়ে যায় দেখছি। রাজনারায়ণবাব। তাইতো, সেইরােপ গতিক দেখছি। মহাষি চেক স্বাক্ষর করিয়া আমার হাতে দিয়া ইংরাজীতে বলিলেন, দিস ইজ মাই আনকনডিশনাল গিফট। আমি মনে ভাবিলাম, ট্রািন্টনী নিয়োগ প্রভৃতি যে সকল বাঁধাবধি অগ্রে ছিল, তাহা রাখিলেন না। চেকখানির প্রতি দন্টিপাত করিয়া দেখি, সাত হাজার টাকার চেক! অগ্ৰে SCS