পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৭৯

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


উক্তিগলির মধ্যে ভালো বিষয় অনেক থাকিত, যাহা পড়িয়া উপকার বোধ হইত। আবার পড়িয়া হাসি পায়, এরপ কথাও থাকিত। আমি যখন আহমদাবাদে, তখন ২১শে সেপ্টেম্বরের মিরারে ঈশবিরের উক্তি রাপে বিরোধী দলের প্রতি এক অপবর্ণ গালাগালি প্রকাশিত হইল। আমার সমিতিতে যত দর আছে, তাহার ভাবটা এই প্রকার-দেন দি লড গড রোলডি ডাউন এ হিল, এ্যান্ড সি এ নাম্পাবার অভ মেন DBBuDD BDDDBD SY BDDBBDBDD DBD DB BD D BBB BBB S SDDDD স্কেপটিকস, মেটিরিয়ালিস্টস, ইত্যাদি। BDD BB BDDDBB DBBB DBB DDD S DDBBB D BD DD g অভিনব তপত আব্রক-স্রোত বাহির হইয়াছে, তাহা জানিতাম না। সেখানকার একজন বন্ধ এটা আমাকে পড়িয়া শনাইলেন। প্রথমত আমরা দজনে খাব হাসিলাম । কিন্তু পরীক্ষণেই হাসির ভাব অন্তহিত হইয়া গভীর দঃখের সঞ্চার হইল। ঈশবিরের জবানিতে এরপ বিদ্বেষ প্রকাশ বড়ই শোচনীয় বলিয়া বোধ হইতে লাগিল। পশ্চিমে সদলে কেশবচন্দ্র। ইহার পর বোম্বাই হইয়া কলিকাতায় যাত্রা করি। এলাহাবাদ হইতে যখন কলিকাতা আসিতেছি, তখন মধ্যের এক সেন্টশনে দেখি, কেশববাব সদলে দশডায়মান। আমাদের সে ট্রেনে সিমলার কমচারীরা নামিয়া আসিতেছিল। গাড়িতে বড় ভিড়, ফিরিঙ্গী ছোঁড়াতে ইণ্টারমীডিয়েট গাড়ি পণ্য, তাহারা সারা পথ হাস্য পরিহাস করিতে করিতে আসিতেছে। সৌভাগ্যক্রমে আমরা এক কামরাতে তিন-চারিজন মাত্র ছিলাম। কেশববাবরা গাড়ি না পাইয়া পলাটফরমে ছাটাছটি করিতেছেন দেখিয়া, আমরা যে কামরাতে ছিলাম তাহাতে উঠিবার জন্য আমি তাঁহাদিগকে ডাকিলাম। কেশববাব, বােব বঙ্গচন্দ্র রায় প্রভৃতি আমাদের কামরাতে উঠিলেন; আর উমানাথ গপত প্রভৃতি কয়েকজন পাশের কামরাতে উঠিলেন। উমানাথবাবার হাতে খেরো কাপড়ের খোলের মধ্যে কি একটা ছিল। সেই কামরাতে এক মুরগী যােবক শ‍ইয়া ছিল, উহার প্রবেশ করতেই সে জিজ্ঞাসা করিল, হােয়টস, ק উমানাথবাব। এ বিউগল। ফিরিঙ্গী। এ বিউগ’ল! কামিং ফ্রম দি আফগান ওয়ার ? উমানাথবাব। নো। ফ্রম এ ব্ৰাহমসমাজ এক্সপিডিশান । তখন আমি বঝিলাম, তাঁহারা গাজিপর প্রভৃতি স্থান হইতে স্যালভেশন আমির অনাকরণে যন্ধযাত্রা করিয়া আসিতেছেন, কারণ তাহার বিবরণ মিরারে অগ্ৰেই পড়িয়ছিলাম। আমি সেই ফিরিওগী ছোকরার রসিকতা নিবারণের জন্য একখানা কাগজে লিখিলাম, কেশবচন্দ্র সেন উইথ হিজ ফ্রেন্ডস; লিখিয়া তাহাকে দেখাইলাম, তাহাতে সে থামিল। গাড়ি ছাড়িল, বেশ গলপগাছা হইতে লাগিল, আমরা সখেই চলিলাম। হঠাৎ বঙ্গচন্দ্র রায় কি আর কেহ ঠিক মনে নাই, রবিবাসরীয় মিরারের সেই গালাগালির উল্লেখ করিয়া জিজ্ঞাসা করিলেন, আমি তাহা দেখিয়াছি কি না। আমি অতিশয়। বিরক্ত হইয়া বলিলাম, “কি আশচয! সেজন্য লভিজিত না হয়ে আবার হেসে সে কথা সমরণ করিয়ে দেন! আমাদের প্রতি ওঁর ক্ৰোধ হওয়া কিছ আশ্চৰ্য নয়, এত ফাড়াছোড়া করা গেছে, ক্ৰোধ হওয়াই তো সবাভাবিক। উনি কেন নিজের নামে আমাদিগকে গাল দিলেন না ? বৰঝতাম, মানষি মানষের সঙ্গে কারবার করছে। তা না করে NCR