পাতা:আত্মচরিত (সিগনেট প্রেস) - শিবনাথ শাস্ত্রী.pdf/১৮

এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


দেখিয়াং চক্ষালজাবশত না? বলিতে পারিলাম না। দইজনে দ্বিপ্রহরের সময় ঠাকুরাণী বসিতে যাইতেছেন, তখনও ভাতে হাত দেন নাই। আমার গলার সবর শনিয়া বাহিরে আসিলেন। আমি তাঁহাকে চুপে চুপে বলিলাম, একটি অন্যজাতীয় লোক পথ হইতে আমার সৎগ লইয়াছে। সে কলিকাতায় কখনো যায় নাই, আমার সঙ্গে যাইবে। তিনি বলিলেন, “বেশ তো, তুই শিগগির নেয়ে এসে মামীদের BBBDB DBB DS DBBBB DDB S BDBDD DBS DD BBB DDD DDL DDDDS পরে খাব।” এ প্রকার বন্দোবসন্তটা আমার ভালো লাগিল না। একবার বলিলাম, “তোমার ভাত ওকে কেন দেবে, যে ভাত চড়াবে, তাই ওকে দিয়ো, তোমার ভাত তুমি খাও।” তিনি বলিলেন, “আহা! বেচারা পথ চলে ক্লান্ত হয়ে এসেছে, ও বসে থাকবে। আর আমরা খাব, তা কি হয় ? যা যা তুই নেয়ে আয়।” তাঁহার ত্বরাতে আমাকে আর ভাবিতে-চিন্তিতে সময় দিল না, তাড়াতাড়ি সন্নান করিয়া আসিয়া মামীদের পাতে বসিয়া গেলাম। মাতামহী সেই লোকটির হাতে তেল দিয়া বলিলেন, “বাবা! তুমিও নেয়ে এসো, আসবার সময় আমাদের বাগান থেকে একখানা কলাপাতা কেটে (ցճթNT I” তাহার:পরে মাতামহীঠাকুরাণী যখন উঠানের পাশে ঢেকিশালার দাবা ঝাঁট দিয়া নিজের ভাতগালি তুলিয়া তাহাকে দিতে গেলেন, তখন মামীদের সঙ্গে বিবাদ উপস্থিত হইল। তাঁহারা রাগারগি করিতে লাগিলেন। দিদিমা আমাকে যাহা দিলেন ; আমি আহারান্তে আচমন করিয়া আসিয়া দেখি সে ব্যক্তি আহারে বসিয়াছে, দিদিমা আদরে দাঁড়াইয়া দেখিতেছেন, এবং “বাবা, এটা খাও, ওটা খাও,” বলিতেছেন; যেন তাহার প্রত্যেক গ্রাসে তাঁহার সন্তোষ হইতেছে। সে ব্যক্তি আহারান্তে আসিয়া গলবস্ত্র হইয়া আমার মাতামহীর চরণে প্ৰণিপাত করিয়া বলিল, “মা, অনেক বামনের মেয়ে দেখেছি, তোমার মতো বামনের মেয়ে দেখিনি।” ঠিক কথা! আমার মাতামহীর ন্যায় ব্রাহণকন্যা বিরল। বলিতে কি, তাঁহাকে আমি যখন সমরণ করি, আমার হদয়, পবিত্র ও উন্নত হয়, এবং এ কথা আমি মন্তকণ্ঠে বলিতে পারি যে, আমাতে যে কিছ ভালো আছে, তাহার অনেক অংশ তাঁহাকে দেখিয়া পাইয়াছি। Sf